মেইন ম্যেনু

ভাষা যেখানে এক নম্বর সমস্যা মুস্তাফিজের

অভিষেকের পর এই প্রথম একা একা কোন বিদেশি লিগে খেলতে গেলেন।ইংরেজি জানেন না, হিন্দিতেও তেমন অভ্যস্ত নন। নতুন জায়গা, নতুন মানুষ সঙ্গে ভাষা সমস্যা। আক্ষরিক অর্থেই মাঠের বাইরে নানা চ্যালেঞ্জে পড়তে হবে তাকে। সেটা মুস্তাফিজও জানেন।

তবে এসব চ্যালেঞ্জের বিপরীতে অনেকটাই নির্ভার কাটার বয়। ভাষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই মুস্তাফিজের জবাব, ‘আপনারা আমাকে তো চিনেন। আপনারা জানেন আমি কেমন মানুষ। আমি এতো কিছু ভাবিনা। খেলতে এসেছি, খেলব। ভালো খেলার চেষ্টা করব।’

তবে ইংরেজি বা হিন্দি না জানার কারণে সমস্যা যে কিছুটা হবে, সেটা স্বীকারও করে নিলেন মুস্তাফিজ।যোগাযোগ তৈরী বা বন্ধু বানানোয় একটু ঝামেলা তো হবেই। যে কারণে ক’দিন আগে দেখা হলেও তার দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মেন্টর ভিভিএস লক্ষনের সাথে খুব একটা কথা হয়নি। নিজেই মজা করে বললেন, ‘বেশি কথা না হওয়ার কারণ ইংরেজি বা হিন্দি না জানা।’

তবে একটা ব্যাপার হলো, ক্রিকেটারদের জন্য শেষ অবদি ভাষাটা নাকি তেমন কোনো সমস্যা থাকে না। ব্যাট-বলের নিজস্ব একটা ভাষা আছে। যে ভাষায় তারা পরষ্পরের সাথে কথা চালাতে পারেন।

মুস্তাফিজ হায়দারাবাদে গিয়ে তৈরী বন্ধু না পেলেও পরিচিত মুখ অনেককে পাবেন। নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে পাবেন। ভারতের অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসার আশিস নেহরা আছেন দলে। বিশ্বকাপ চলার সময়ই যিনি মুস্তাফিজকে নিয়ে জানিয়েছিলেন মুগ্ধতা ও আইপিএলে নিজ দলে পাওয়ার স্বস্তি। ভারতের উঠতি বাঁহাতি পেসার বারিন্দর স্রানও আছেন দলে; আছেন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বাঁহাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। স্কোয়াডে আরও পেসার আছেন ভূবনেশ্বর কুমার, অভিমন্যু মিঠুন, বিদেশি পেসারদের মধ্যে বেন কাটিং।

এতোসব পেসার, বিশেষ করে বাহাতি পেসার,একাদশে জায়গা হবে তো? এই নিয়ে একটু হতাশ হলেও হতে পারতেন মুস্তাফিজ। কিন্তু সেই দিকে একটু চিন্তা তার আছে বলে মনে হলো না।

ইলেভেনের জায়গার কথা না ভেবে বরং জানালেন, এতো জন বাহাতি পেসার থাকার অর্থ, তার জন্য আরও অনেক কিছু শেখার সুযোগ, ‘শেখার ইচ্ছে তো আছেই। একসঙ্গে এতজন বাঁহাতি পেসার থাকলে অনেক কিছুই শেখা যায়।’

বয়সে, অভিজ্ঞতায় নবীন হলে কী হবে, চিন্তাটা বেশ পরিণতই। আইপিএল থেকে সেই চিন্তাটা আরও শান দিয়ে আনারই ইচ্ছে মুস্তাফিজের।-আনন্দবাজারের অবলম্বনে






মন্তব্য চালু নেই