মেইন ম্যেনু

ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা করল স্ত্রী!

পাবনায় স্বামীর পরকিয়া প্রেমে অতিষ্ট হয়ে ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে স্বামীকে হত্যা করেছে স্ত্রী মুন্নী খাতুন।
পুলিশ স্ত্রী মুন্নিকে আটক করলে এ লোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। হত্যা মামলার বাদি নিজেই হত্যাকারী এ খবর ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ সোমবার বিকালে মুন্নিকে আটক করেছে।

২১ জুলাই পাবনা শহরের ছাতিয়ানী এলাকার হাজী আবুল কাশেমের ছেলে মিঠু হোসেনকে হত্যা করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় পাবনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুন্সি আবু কুদ্দুস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ২১ জুলাই চাটমোহর থানার কাঠগড়া ব্রিজের নিচ থেকে পাবনা শহরের ছাতিয়ানী এলাকার হাজী আবুল কাশেমের ছেলে মিঠুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত মিঠুর স্ত্রী মুন্নী বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকালে এ হত্যাকা-ের সঙ্গে মামলার বাদী মিঠুর স্ত্রী মুন্নির জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায। এর ভিত্তিতে সোমবার বিকালে মুন্নিকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্ত্রী মুন্নি স্বামী মিঠুকে হত্যার সঙ্গে তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

মিঠুর স্ত্রী মুন্নী জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তার স্বামী মাদকসেবী ছিলেন। মাদকসেবনের ফলে প্রায় বাড়িতে ভাংচুর করে চরম অশান্তি সৃষ্টি করত। শুধু তাই নয় লাকি নামের এক মেয়েকে বাসাভাড়া করে থাকত। তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বাধ্য হয় হত্যাকান্ডের পথ বেছে নিতে হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আরো জানান, নিহত মিঠুর মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে মিঠুর স্ত্রী মুন্নি (২৫), ও তার সহযোগী শহরের মাঠপাড়ার তোফাজ্জল হোসেন সরদারের ছেলে সুজন (৩০), আতাইকুলা থানার মাধপুর হাটবাড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে হোসেন আলী কসাই (২৭), সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করে অপর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঐ মামলায় স্ত্রী মুন্নিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুন্সি আবু কুদ্দুস আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া মুন্নিকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।






মন্তব্য চালু নেই