মেইন ম্যেনু

ভিডিও কনফারেন্সেও দেয়া যাবে আদালতে হাজিরা

কারাবন্দী আসামিদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কারা-মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।

শুক্রবার দুপুরে নিজ দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

আইজিপি প্রিজন বলেন, ‘আজ সকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কারাবন্দী আসামিদের আদালতে হাজিরা দেয়ার একটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বন্দীদের কারাগারে রেখে আদালতে হাজিরা দেয়ার জন্য এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।’

কী ধরনের বন্দীদের কনফারেন্সের মাধ্যমে হাজিরার ব্যবস্থা করা হবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা দুর্ধর্ষ আসামি তাদের জন্য এ পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

প্রকল্পটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান আইজি প্রিজন।

এদিকে, আজ (২৯ জুলাই) থেকে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বন্দীদের কেরানীগঞ্জে নবনির্মিত কারাগারে স্থানান্তর শুরু হয়েছে।

আজ সকাল ৬টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। বন্দী স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সকাল থেকেই ঢাকা নাজিমুদ্দিন রোড থেকে কেরানীগঞ্জ নবনির্মিত কারাগার পর্যন্ত ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাস্তায় ২০০ গজ পরপর অবস্থান নিয়েছে র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও এপিবিএন।

সকাল ৮টার দিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসান। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বন্দী স্থানান্তরে কোনো থ্রেট (হুমকি) নেই। তারপরেও যেহেতু এটি ইতিহাসের একটি বড় ঘটনা, তাই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়েই বন্দী স্থানান্তর করা হচ্ছে।’

কারা সূত্রে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ কারাগারে শুধু পুরুষ বন্দীদের স্থানান্তর করা হচ্ছে। নারী ও শিশুদের আগেই কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্র ও শনিবারে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার বন্দী নবনির্মিত এই কারাগারে স্থানান্তর করা হবে।

প্রসঙ্গত, কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরে প্রায় ১৯৪ একর জায়গার ওপর ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার সর্বাধুনিক ও বৃহত্তম এই কারাগারটি। এর ধারণক্ষমতা প্রায় ৮ হাজার।






মন্তব্য চালু নেই