মেইন ম্যেনু

ভিন্ন ভিন্ন স্টাইলে শাড়ির স্বাদ বদল

সব সময় একই রকমভাবে শাড়ি পরে একঘেয়ে হয়ে গেছেন? আবার সবসময় একইভাবে শাড়ি পরেন বলে সবার কাছে আপনার দামী ও এক্সক্লুসিভ শাড়িটাও হয়ে যায় বিশেষত্বহীন। আর তাই ভিন্ন ভিন্ন স্টাইলে পরে বদলে ফেলুন শাড়ির স্বাদ।

সামনে আঁচল স্টাইল: যদি আপনার শাড়ির আঁচলে ভারী কাজ করা থাকে তা হলে এই ভাবে শাড়ি পরলে খুব ভাল লাগবে। সাধারণ শাড়ি যেভাবে পরেন, সেই ভাবে পরে নিন। এরপরে যেমনভাবে বাঁ দিকে আঁচল নেন সেইভাবে নিন। এইবার আঁচলে প্লিট করে নিন, প্লিট করা আঁচল এইবার বাঁহাতের তলা দিয়ে ঘুরিয়ে সামনে করে নিন। যেখানে যেখানে দরকার মনে হবে সেফটি পিন লাগিয়ে নিন। শাড়ির আঁচলটা কিন্তু কোমরে না গুজে সোজা খুলে রাখুন। এই শাড়ি পরার স্টাইল ক্যারি করতে সোজা আর দেখতেও খুব স্টাইলিশ লাগে।

হাফ শাড়ি স্টাইল: প্রথমে যেভাবে শাড়ি পরেন সেইভাবে পরুন তারপর আঁচলটা প্লিট করে পিছনদিক থেকে বাঁ কাঁধের ওপর থেকে আনুন এবং সেফটি পিন লাগিয়ে নিন। এইবার আঁচলের একটা কোণা কোমরে টাইট করে পেঁচিয়ে নিন। আঁচলটা লম্বা রাখবেন যাতে সামনে থেকে দেখতে V shape হয়। কুঁচি যেন এই V shape আঁচলের নীচে থাকে।

কুর্গি টুইস্ট: যেমন সাধারণ শাড়ি পরেন, সেইভাবে পরে নিন। এইবার আঁচল পেঁচিয়ে নিন, ব্লাউজ আর শাড়ি সেফটি পিন দিয়ে লাগিয়ে নিন। এইবার আঁচলের একটা কোণা একটু প্লিট করে বাঁ কাঁধের ওপর ফেলে দিয়ে পিন আটকে নিন। এইবার ছোট ছোট প্লিট করে নিন আর পিন দিয়ে আটকে নিন। একটা ব্রোচ লাগিয়ে নিন।

লেহেঙ্গা শাড়ি: অনেকে লেহেঙ্গা পরতে পছন্দ করেন, তারা কিন্তু শাড়ি দিয়েই লেহেঙ্গা স্টাইলে শাড়ি পরতে পারেন। শাড়ি ছোট ছোট কুঁচি করে পেটিকোটে গুঁজতে হবে। কোমড়ের চারদিকে প্লিট করে গুঁজুন। যত ছোট প্লিট হবে তত কিন্তু ঘের বাড়বে আর লেহঙ্গার মত দেখতে লাগবে। বাকি শাড়ি মানে আঁচলটা ডান কাঁধের ওপর দিয়ে আনুন। পিন আটকে নিন। আঁচলে প্লিট করতে পারেন বা এমনিও রাখতে পারেন।






মন্তব্য চালু নেই