মেইন ম্যেনু

ভুঁড়ি কেন পুলিশের? রাজ্যের কাছে হলফনামা তলব হাইকোর্টের

ভুঁড়ি নিয়ে পুলিশ কীভাবে গুরুদায়িত্ব পালন করে! বেহালার বাসিন্দা কমল দে এমন প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি নিশিতা মাত্রে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে হলফনামা তলব করেছে।

পুলিশের শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার বিষয়ে রাজ্য কী ভাবছে, তা তাঁকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ওই হলফনামায় জানাতে হবে।

কমল তাঁর আবেদনে অভিযোগ করেছেন, ‘শারীরিকভাবে অকর্মণ্য যে পুলিশকর্মী প্রকাশ্যেই ঘুমোচ্ছেন বা হাতে খৈনি টিপছেন, তিনি কীভাবে আমজনতাকে নিরাপত্তা দিতে পারেন। আমরা রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমবো কী করে’।
অভিযোগের ‘প্রমাণে’ কমল এদিন প্রায় ২০টি ছবি আদালতের কাছে জমা দিয়েছেন। হেয়ার স্ট্রিট থানার বর্তমান ওসি মহাদেব চক্রবর্তীর ছবি তুলে ধরে কমলের প্রশ্ন, ‘‘ইনি ২০১৫ সালের সেরা পুলিশকর্তা। তাঁরই যদি এমন ভুঁড়ি হয়, তবে অন্যদের কী হাল বোঝা যাচ্ছে।’’

কর্তব্যরত পুলিশকর্মীর মোবাইলে কথা বলা, চেয়ারে বসে ভাতঘুম দেওয়ার কয়েকটি ছবিও কমল দেখান। মূলত কলকাতা পুলিশকে নিশানা করেই কমল এই মামলা দায়ের করলেও তাঁর অভিযোগ থেকে বাদ যায়নি রাজ্য পুলিশও।

পুলিশের ওই ছবিগুলি দেখে এদিন বিচারপতিরা হেসে ফেলেন। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘পুলিশ আনফিট হলে অপরাধীদের দৌড়ে ধরবে কী করে! নাকের ডগা দিয়ে অপরাধী তো পালিয়ে যাবে!’’ বিচারপতি চক্রবর্তী বলেন, ‘‘ঘুমের মধ্যেই কেউ হামলা চালিয়ে চলে যাবে! যখন ঘুম থেকে উঠবেন তখন সব ফাঁকা!’’

কমলের দাবি, ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনে বলা রয়েছে যে, ‘ফিট’ না থাকলে প্রথমে সাসপেন্ড পরে বরখাস্ত করা যেতে পারে পুলিশকর্মীকে। কিন্ত সেই আইন মেনে চলা হয় না।






মন্তব্য চালু নেই