মেইন ম্যেনু

ভুলেও যে খাবারগুলো মেশাবেন না

চিকিৎসকদের মতে, একজন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তির শরীরে দিনে ২৫ গ্রামের বেশি ফ্রুক্টোজ বা ফলশর্করা যাওয়া উচিত নয়। তবে যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল, ওবেসিটির মতো সমস্যা আছে, তারা দিনে সর্বাধিক ১৫ গ্রাম ফল খেতে পারেন। তার কারণ ফলে থাকে কার্বোহাইড্রেট। যা ইনসুলিন হরমোনকে প্রভাবিত করে। এবার জেনে রাখুন, যে খাবারগুলো মেশানো উচিত নয়-

* দুধের সাথে আনারস খাবেন না:
দুধ- আনারস একত্রে খাওয়া ঠিক না। দুধ খেয়ে উঠেই আনারস বা আনারস খেয়েই দুধ নয়। মিক্সিতে একসঙ্গে মিশিয়ে তো নয়ই। এমনকি দুধের বদলে দুই দিয়েও খাওয়া চলবে না। জোর করে খেলে, পেটে ব্যথা নিশ্চিত। গ্যাস-বমি এমনকি পেটখারাপও হতে পারে।

* গাজর ও কমলা একসঙ্গে নয়:
গাজর স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। আবার কমলাও। কিন্তু, এই দুই খাবার একসঙ্গে মেশালে বিপত্তি আপনারই। অনেককেই দেখা যায়, গাজর ও কমলার জুস করে খাচ্ছেন। জানবেনও না, রেচন প্রক্রিয়ার বারোটা বাজিয়ে দেবে। হার্টবার্নও হতে পারে।

* পুডিং দিয়ে কলা নয়:
জোর করে খেলে পেট ভার হয়ে থাকবে। শরীরে টক্সিনের মাত্রাও বাড়িয়ে দেবে। বাচ্চার জন্য এই মিশ্রণ আরো ভয়ানক।

* পেঁপে ও লেবু একত্রে নয়:
কারণ এই দুইয়ের মিশ্রণ পেটে গিয়ে রক্তাল্পতার সমস্যা ডেকে আনে। হিমগ্লোবিন তৈরিতে বাধা দেয়। বাচ্চাদের একদমই দেওয়া যাবে না।

*পেয়ারা খেলে কলা নয়:
এই দুই ফল এক সঙ্গে খাওয়া চলবে না। খেলে গ্যাস-অম্বল অনিবার্য। পেট কামড়াতেও পারে।

* দুধের সঙ্গে কমলা মেশানো যাবে না:
কমলা পাকস্থলিকে সেই সময়টাই দেয় না, যাতে খাদ্যশস্যকে স্টার্চে রূপান্তরিত করে ফেলা যায়। স্টার্চকে হজম করতে যে উত্‍‌সেচক সাহায্য করে, তাকেই নষ্ট করে দেয় এই দুইয়ের মিশ্রণ। ফলে দুধকমলা হজম করা কঠিন।

* শাকসবজির সাথে ফল খাওয়া ঠিক না:
আমরা জানি ফলে শর্করা থাকে। যা শাকসবজির সঙ্গে সহজে ঠিকভাবে হজম করা যায় না। একসঙ্গে খেলে ফল থেকে প্রচুর টক্সিন নির্গত হয়। যার ফলে পেটখারাপ, সংক্রমণ, পেটেব্যথা, মাথায় ব্যথা এসব হতে পারে। তাই এই দুই খাবারও একত্রে খাওয়া বা মেশানো যাবে না।






মন্তব্য চালু নেই