মেইন ম্যেনু

ভূমিকম্পের ১৯ ঘণ্টা পর হেলে পড়ল চারতলা ভবন

ভূমিকম্পের ১৯ ঘণ্টা পর খুলনার একটি চারতলা ভবন হেলে পড়েছে।

সোমবার রাত ১২টার দিকে নগরীর খালিশপুরের পৌরসভা মোড়সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছয় বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত বাড়িটি ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এদিকে হেলে পড়ার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ভবনটি থেকে অর্ধশতাধিক ছাত্রকে বের করে বাড়িটি খালি করে দিয়েছে। একই ভাবে পাশের আরো চারটি বাড়ি থেকেও লোকজনকে সরে যেতে বলা হয়েছে। যে কোন সময় ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নগরীর খালিশপুর পৌরসভা ও কোহিনুর মোড়সংলগ্ন (বাড়ি নং-৪৩/১, রোড নং-১৬) জাহাঙ্গীর হোসেনের চারতলা ভবনটি গত বছরের ভূমিকম্পে ফাটল ধরে। এছাড়া জরাজীর্ণ বাড়িটি ২০১০ সালেই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। এরপরও বাড়িটি ছাত্রাবাস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। সর্বশেষ সোমবারের ভূমিকম্পে ভবনটি ঝাঁকুনি খেয়ে আরো দুর্বল হয়ে যায়। এর পরই সেটি একদিকে হেলে যায়।

এদিকে ভবন হেলে পড়ার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবন থেকে সব ছাত্রকে বের করে দেন। ছাত্রদের স্থানীয় ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে রাতযাপনের ব্যবস্থা করা হয়। পরে ভবনটি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়।

এছাড়া দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ভবনটির পাশের আরো চারটি বাড়ি থেকেও লোকজনকে সরে যেতে বলা হয়।

ভবন হেলে পড়ার সত্যতা নিশ্চিত করে খালিশপুর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, রাত ১২টার দিকে ভবনটির দ্বিতীয় তলার সিঁড়ি, ছাদ এবং দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়তে শুরু করে। এক পর্যায়ে সেটি দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে আংশিক হেলে পড়ে। ভবনটি তালাবদ্ধ করে চাবি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স খালিশপুরের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন খান বলেন, ভবন হেলে পড়ার ঘটনায় সেখানে বসবাসরত ছাত্ররা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সেখান থেকে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন কেডিএ, কুয়েট এবং কেসিসি’র বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার ভোররাত ৫টা ৭ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পে সারাদেশ কেঁপে ওঠে।






মন্তব্য চালু নেই