মেইন ম্যেনু

ভোগান্তির কারণ এক এজলাসে চার আদালত!

ঢাকার সিএমএম আদালতের পুরাতন ভবনে এক এজলাসে চলছে চার আদালতের বিচারকাজ। আর এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা। এ আদালতগুলো বসার কোনো নির্দিষ্ট সময় না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের। ফলে আইনজীবীরা অন্য আদালতের মামলা পরিচালনা করতেও বিড়ম্বনায় পড়ছেন।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতের ৩০ নম্বর এজলাসে গিয়ে বুধবার এ চিত্র দেখা যায়। ঐ এজলাসে বর্তমানে ২৯, ৩০, ৩২ ও ৩৩ নম্বর আদালতের বিচারকাজ চলছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চার আদালতের আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালতের কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এজলাসে তিল ধারণের জায়গা নেই। বয়স্ক ও অসুস্থ বিচারপ্রার্থীদের বেশি ভোগান্তি হচ্ছে।

ঢাকার ৩০ নম্বর আদালতের বেঞ্চ সহকারী রুহুল আমিন জানান, এ এজলাস মূলত ৩০ নম্বর আদালতের। এ আদালতে আগে থেকে ৩২ নম্বর আদালতের বিচারকাজও চলত। ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ ও দেবব্রত বিশ্বাস দুই আদালতের পৃথক মামলা পরিচালনা করতেন। কিন্তু এখন পাশের ২৯ ও ৩৩ নম্বর আদালতের এজলাসের দুই বিচারক বদলি হওয়ায় ৩০ নম্বর আদালতেই বিচারকাজ পরিচালনা হচ্ছে। ঐ আদালতের বিচারক ছিলেন মো. আহসান হাবীব ও সত্যব্রত শিকদার।

তিনি আরো জানান, একই এজলাসে চার আদালত হওয়ায় মামলার সংখ্যা প্রতিদিন দেড় শতাধিক হয়। আর এ মামলার আসামি, বাদী, সাক্ষী ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে আদালতে তিল ধারণের জায়গা হয় না। তবে আদালতের নতুন বিচারক আসলে এ সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করছি।

ঢাকা বারের সিনিয়র আইনজীবী মুনজুর আলম জানান, একই এজলাসে চার আদালত হওয়ায় একটু ভিড় লেগে থাকে। নতুন বিচারক এলে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

সাব্বির হোসেন নামের এক বিচারপ্রার্থী বলেন, আমার ২৯ নম্বর আদালতে মামলা রয়েছে। হাজিরা দিতে আদালতে এসেছি। সকাল ১০টা থেকে হাজিরা দেওয়ার জন্য আদালতের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু পরে বেলা সাড়ে ১২ টায় হাজিরা দেই। বিচারক না থাকার কারণে নাকি এ সমস্যা হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিলে সবাই উপকৃত হবে।






মন্তব্য চালু নেই