মেইন ম্যেনু

ভোলার চরফ্যাশনে বিএনপি’র প্রার্থী সালাহ উদ্দিনের নির্বাচন বর্জন

চরফ্যাশন, ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নের (ধানের শীষ প্রতীক) চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাহ উদ্দিন ভোট বর্জন করেছেন।

তিনি জানান,নৌকা প্রতিকের এজেন্ট ও প্রিজাইডিং অফিসারসহ ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে সিল মেরে বাক্স তিনি অভিযোগে করে বলেন,৩১ মার্চ দ্বিতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এই নির্বাচনে চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার ১১ নং উত্তর রসুলপুর ইউপি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনিত (ধানের শীষ প্রতীক) প্রার্থী সালাহ উদ্দিন বিভিন্ন বাধা উপপেক্ষা করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তার কোন এজেন্ট ভোট কেন্দ্রে যেতে দেননি প্রতিপক্ষ নৌকা প্রতিকের কর্মী-সমর্থকেরা।

বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত সরকার দলীয় প্রার্থীর কর্মী বাহিনীরা মটরসাইকেল নিয়ে এজেন্টদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে।

এছারা আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি-সোটা নিয়ে পুরো ইউনিয়ন সশস্র মহরা দেয়। তারা প্রকাশ্যে নৌকায় ভোট দিতে ভোটারদের বাধ্য করেন।

তিনি আরো জানান,তাকে ধানের শীষ প্রতীকের সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনাও ঠিক মত করতে দেওয়া হয়নি,প্রচার মাইক ভাংচুর ও প্রচারককে মারধর করা হয়েছে।নেতা-কর্মী ও সমর্থকের উপর বেপরোয়াভাবে সন্ত্রাসী তান্ডব চালায় হয়েছে।

একই সাথে মটরসাইকেলের মাধ্যমে হামলা চালানোর নির্দেশ দেয়ার পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকের কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য মামলা, হামলা, ভয়-ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

যদি ধানের শীষ প্রতীকের কোন কর্মী-সমর্থক ভোট কেন্দ্রে যায় তাহলে তাদেরকে প্রাণ নাশেরও হুমকী প্রদান করা হয়। এহেন পরিস্থিতে ধানের শীষ প্রতীকের নেতা-কর্মীরা জীবন রক্ষার্থে এলাকা ছেড়ে আত্নগোপনে চলে গেছে।

এ ঘটনাগুলো নির্বাচনের শুরু থেকে রিটার্নিং অফিসার, ভোলা নির্বাচন অফিসার, শশীভূষণ থানার ওসি, পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কমিশনারের কাছে অসংখ্যবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

বর্তমানে ভোট কেন্দ্রে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাহাতে নেতা, কর্মী ও সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই জাল-জালিয়াতির নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছি।






মন্তব্য চালু নেই