মেইন ম্যেনু

ভোলার ৪২ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দুজন নারী

মোঃ ফজলে আলম, ভোলা থেকে: ভোলার ৪২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৫৬জন পুরুষের বিপেক্ষ লড়াই করছেন ২জন নারী প্রার্থী। আগামী ২২মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এদের মধ্যে একজন আনারস ও অপরজন টেলিফোন মার্কা নিয়ে লড়াই করছেন।ভোলার লালমোহন উপজেলায় বদরপুর ইউনিয়ন।

এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একজন নারী।তিনি উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি কামরুন নাহার সুমি।ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ জয়ের সহধর্মীনি। বদরপুর ইউনিয়ন থেকে আনারস মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।নারী অধিকারকে এগিয়ে নেয়ার জন্যই তার এই লড়াই বলে জানালেন তিনি। তার মতে পুরুষ সাশিত সমাজে নারীরা সব সময় অবহেলিত থাকে। তাই তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আর নারী-পুরুষ সমান তালে কাজ করতেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন।

বদরপুর থেকে ৭জন চেয়ারম্যান প্রার্থী লড়াই করলেও জয়ের ব্যাপারে তিনি বেশ আশাবাদী। তার ধারনা মার্কা নয় মানুষ ইউনিয়ন পরিষদে নিজের অধিকার ফিরে পেতে ব্যাক্তিকে ভোট দিয়ে আসছেন। এবারেও এর ব্যক্তিক্রম হবে না বলে তিনি আশা করছেন। সুষ্ঠ ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন হলে যার ভোট সে দিতে পারলে তিনি জয়লাভ করবেন। বিজয়ী হয়ে প্রথমেই নারী উন্নয়নে কাজ করবেন। সমান ভাবে সব এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন। যদিও ইতিমধ্যেই তিনি বেশ আলোড়ন সৃস্টি করেছেন। তবে শংসয় প্রকাশ করেন শেষ পর্যন্ত সুষ্ঠ নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে। শুধু তাই নয় শেষ পর্যন্তর নির্বাচনে থাকতে পারবেন কিনা তা নিয়ে শংসয় প্রকাশ করেছেন এলাকার সাধারন ভোটাররা।

অপরদিকে ভোলা সদর উপজেলার ভোলা সদর উপজেলার আলী নগর ইউনিয়নে সানজিদা হক চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। টেলিফোন মার্কা নিয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বেশ আলোড়ন সৃস্টি করেছেন এলাকায়। প্রথম বারের মত নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী পেয়ে সব সাধারন ভোটাররাও আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে নারী ভোটাররা। তাদের মতে নারীরা সব সময় অবহেলিত থাকে। তাই একজন নারী চেয়ারম্যান হলে তাদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের চেস্টা করবেন তিনি। তবে সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে প্রার্থী ও সাধারন ভোটারদের রয়েছে তীব্র আতংক। জেলা ৭টি উপজেলায় ১৫৬জন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে লড়াই করলেও জেলায় মাত্র ২জন মহিলা চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই