মেইন ম্যেনু

ভোলায় জলদুস্যর গুলিতে নিহত জেলের বাড়িতে স্বজনহারা বুকফাটা আহাজারি

ভোলার বঙ্গোপসাগড়ে দৌলতখানের ৩০টি মাছ ধরার ট্রলারে গণডাকাতি হয়েছে। এসময় জলদস্যুদের ছোড়া এলোপাথাড়ী গুলিতে মো: সিডু নামের এক জেলে নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৪৫জেলে আহত হয়েছে। আহতদের বরিশাল ভর্তি করা হয়েছে।যেখানে মাছ থাকার কথা ছিলো। সেখানেই পড়ে রয়েছে মাছ ধরা জালের পাশেই জেলে মো: সিডু’র গুলিবিদ্ধ লাশ।

ট্রলারে নিথর দেহ পড়ে থাকলেো রাস্তার উপরে চলছে স্বজন হারাদের বুকফাটা আহাজারি। কি হবে আর ছবি তুলে। আমার সন্তানের কি হবে। গর্বের সন্তানের কি হবে। কি হবে আমার ভাগ্যে। একমাত্র তার আয়ের উপর চলতো আমাদের সংসার। এখন জলদস্যুর গুলিতে সব শেষ। ঝাঝড়া করে ফেলেছে গুলি করে আমার স্বামীর সমস্ত শরীর।

এভাবে বলেই আহাজারী করছিলেন নিহতর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী এবং সন্তান সম্ভবা ২২ বছরের জেসমিন বেগম।

উলেখ্য গতকাল শুক্রবার দুপুর ২টার পর চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর থেকে দক্ষিনে অন্তত ২০থেকে ৩০কিলোমিটার দক্ষিনে বঙ্গোপসাগড়ে মাছ ধরারত অবস্থায় হঠাৎ করেই দুটি জলদস্যুদের ট্রলার এসেই আক্রমন করে।

এসময় প্রায় ২ঘন্টা ব্যাপি চলে গণডাকাতি বলে নিহত সিডুর ট্রলারর মাঝি মো: মোসলেহ উদ্দিন মাঝি। তিনি আরো বলেন এক পর্যায় মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে জেলেরা পালাতে গেলে জলদস্যুরা এলোফাথাড়ী গুলি ছোড়ে। গুলিতে আমার ট্রলারের মো: সিডু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

এছাড়া ঐ ট্রলারসহ শাহ আলম মাঝি মো: আলমগীর মহাজনের ট্রলারসহ অন্তত ৩০ট্রলারের ৪৫ জেলে গুলিবিদ্ধ এবং হয়ে আহত হয়। আহত ও নিহতদের আজ সকাল ৮টায় ভোলার্ দৌলতখানে নিয়ে আসে। এর মধ্যে বেশ হাসেম,মিজানসহ বেশ কয়েকজনের অবস্থার চরম অবনতি হলে দ্রুত তাদেরকে বরিশাল নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ট্রলারের জেলেরা কোন নিরাপত্তাসহ পুলিশ এবং কোস্ট গার্ডের সহযোগীতা না পাওয়ার অভিযোগ করে সরকারে সাহায্য কামনা করেছেন।

আহতরা বলেন,কখনোই তাদের সাহায্য আমরা পাইনা। নিহতর বাড়ি দৌলতখান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে। নিহত সিডু আলী আজগরের সন্তান। আহতদের মধ্যে কিছু দৌলতখান,ভোলা, চরফ্যাশন এবং কিছু বরিশালর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে বলে ফিরে আসা মাঝিরা জানান।এদিকে এসব বিষয় দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আবুল বাশার ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন,নিরাপত্তা দেয়ার দ্বায়িত্ব আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

নিহত ও আহতরা দৌলতখানে এসেছে। এখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। নিহতর লাশ ময়না তদন্ত ভোলা সদর হাসপাতালের মগে প্রেরন করা হয়েছে।ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে ঘটনাস্থল যে থানার মধ্যে ঐ থানায় মামলা হবে। জেলেদের নিরাপত্তার বিষয় জানতে চাইলে ওসি বলেন,এজন্য পুলিশ ও কোস্টগার্ড কাজ করে যাচ্ছেন।






মন্তব্য চালু নেই