মেইন ম্যেনু

ভোলায় সদর হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে বেড সংকট, নিউমোনিয়া আক্রান্ত ২৫

ভোলা সদর হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে বেড সংকটের কারনে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে শিশুদের। এতে একদিকে যেমন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে শিশু ও তাদের স্বজনদের অন্যদিকে তাদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় নার্স-ডাক্তারদের।এদিকে, হঠাৎ করেই নিউমোনিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক সপ্তাহে অন্তত ২৫ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারনে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। প্রতিদিন ভোলা সদর ও জেলার বাইরের ৬টি উপজেলা থেকে নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা যায়, ভোলা সদর হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে শিশুদের জন্য সিট রয়েছে মাত্র ১০টি। কিন্তু সে তুলনায় রবিবার পর্যন্ত রোগী ভর্তি অবস্থায় রয়েছে ৪৬টি শিশু।এতে একটি বেডে ২/৩টি শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

এছাড়াও রয়েছে নার্সের তীব্র সংকট। সিনিয়র স্টাফ , স্টাফ ও জুনিয়র নার্সের ৫২টি পদের মধ্যে দায়িত্বরত রয়েছে মাত্র ১৭জন। এতে একজন নার্সকে রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।সিয়র স্টাফ নার্স প্রতিমা রানী সিকদার বলেন, ডায়রিয়া, মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ডে তাকে একাই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

নার্স না থাকায় ৩টি ওয়ার্ডের চিকিৎসা দিতে গিয়ে সীমাহিন কষ্ট পোহাতে খেতে হচ্ছে।শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স দেবী মল্লিক বলেন, আবহাওয়ায় পরিবর্তন ও ঠান্ডার কারনে শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিন নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

তবে বেড সংকট থাকায় একটি বেডে ২/৩টি শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।ভোলা সিভিল সার্জন ডা: ফরিদ আহমেদ জানান, বৃষ্টি ও আবাহওয়ার পরিবর্তনে ঠান্ডা থেকে শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। তাদের চিকিৎসা দিচ্ছেন ডাক্তার ও নার্স। পর্যপ্ত ওষুধ সরবরাহ রয়েছে। রোগীদের সমস্যা হলেও এ মুহুর্তে বেড বাড়ানোর কোন পরিকল্পনা নেই।তিনি আরো জানান, জেলা সদর হাসপাতালে ২৫০শয্যায় উতীন্ন হলে বেড সমস্যা থাকবে না।






মন্তব্য চালু নেই