মেইন ম্যেনু

ভয়ংকর ভেজাল থেকে সাবধান: ময়দা দিয়ে লোশন!

রূপচর্চা করতে কে-ইবা পছন না করে। এ জন্য বাজারে পাওয়া যায় নামিদামি ব্র্যান্ডের ক্রিম, লোশন ও ফেসওয়াস। কিন্তু এমন কথা কেউ কি শুনেছে- আটা, ময়দা, চীনা মাটি ও চুনা পাউডার দিয়ে এসব তৈরি করা যায়। আর তা নামিদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারে বিক্রিও করা হয়। চমকে যাওয়ার মতোই তথ্য নিশ্চয়ই।

ভেজাল প্রসাধনী তৈরির এমনই কারখানা সন্ধান পাওয়া গেছে রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর এলাকায়। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা ঢাকা জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে ওই কারখানায় অভিযান চালায়।

সোমবার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শরীর ম্যাসাজ করার ক্রিম, ফেসওয়াস ও বডি লোশন তৈরির জন্য আটা, ময়দা, চীনা মাটি, চুনা পাথর ব্যবহার করা হয় ওই কারখানায়। আর পামওয়েল ও সয়াবিন তেল মিশিয়ে তৈরি হয় নামিদামি ব্র্যান্ডের ওলিভ ওয়েল ও চুলে ব্যবহারের তেল। এসব প্রসাধনী শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

বিষাক্ত, অপরিশোধিত ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এসব সামগ্রী তৈরির জন্য কামরাঙ্গীরচরের খোলামোড়া এলাকায় সাদিয়া হারবাল প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক আবির হোসেনকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ এলাহী। তাকে সহযোগিতা করেন এপিবিএন-৫ এবং বিএসটিআইয়ের সদস্যরা।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাদিয়া হারবাল কোম্পানির ওই কারখানায় অভিযানের সময় ভেজাল ও বিষাক্ত উপাদান দিয়ে তৈরি স্কিন টোনার, হারবাল ম্যাসাজ, হেয়ার স্প্রে, হেয়ার রিমুভার ক্রিম, স্ক্রাব, চুলের তেল ও বিভিন্ন ব্যান্ডের নামে তৈরি করা বিপুল প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এসব পণ্য ধ্বংসও করা হয়।

এপিবিএন ৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার এএসএম হাফিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ১৫ দিন ধরে পর্যবেক্ষণ করার পর এ ভেজাল কারখানায় অভিযান চালানো হয়। তারা অনেক দিন থেকে ভারত, ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের নামিদামি ব্র্যান্ডের নাম করে এসব প্রসাধনী সামগ্রী উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। তিনি জানান, এসব পণ্য ব্যবহার করা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এসব ব্যবহার করলে ত্বক ক্যান্সার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে অনেক বেশি।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই