মেইন ম্যেনু

ভয়ঙ্কর ধর্ষণ খেলায় মেতেছে আরব থেকে ইউরোপ !

খেলার ছলে ধর্ষণ করার ভয়ঙ্কর অভ্যাস আরব থেকে সংক্রামিত হচ্ছে ইউরোপে। তাহারুশ আরব দেশগুলিতে সামাজিক অভিশাপ এই বর্বর সংস্কৃতি। রাস্তাঘাটে বা জনবহুল স্থানে হঠাৎ পুরুষরা মিলে ঘিরে ফেলে তরুণীকে। তাঁর উপর অবাধে চলতে থাকে যৌন নির্যাতন। প্রকাশ্যে। কেউ প্রতিবাদ করেন না। কারণ, পুরুষতান্ত্রিক আরবে এই তাহারুশকে যুবসমাজের হইহুল্লোড়ের অঙ্গ হিসেবেই দেখা হয়। আরব দুনিয়া থেকে বিপুল শরণার্থী স্রোত ইউরোপে ঢোকার পর, এই ভয়ঙ্কর তাহারুশ এখন ঘটতে শুরু করেছে ইউরোপের পথঘাটেও!

মিশরে উৎপত্তি তাহারুশ-এর। ভৌগোলিক ভাবে আফ্রিকার অন্তর্গত হলেও মিশরের সঙ্গে আরব দুনিয়ার মিলই বেশি। মিশর থেকে তাহারুশ ছড়িয়ে পড়েছিল আরব দুনিয়ার বিভিন্ন দেশে। বছরের পর বছর চলতে তাহারুশ আরবের যুবসমাজের বাজারচলতি সংসস্কৃতির অংশ হয়ে গিয়েছে।

ঠিক কী হয় তাহারুশে?
রাস্তাঘাটে সুন্দরী তরুণীকে দেখে ভাল লাগতেই কয়েক জন যুবক মিলে ঘিরে ধরে থাকে। তাহারুশের আয়োজন হচ্ছে দেখতে পেয়ে পথচলতি আরও অনেক পুরুষই যোগ দেয় তাতে। তার পর সেই বিড় তরুণীর উপর যৌন নির্যাতন চালাতে থাকে প্রকাশ্যে। প্রথমেই তাঁর জামাকাপড় ছিড়ে দেওয়া হয়। তার পর তরুণীর শরীর নিয়ে খেলতে শুরু করে পুরুষরা। এই ভিড়ে কয়েকজন আবার তরুণীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সেটিও খেলারই অঙ্গ। কয়েকজন বাঁচানোর চেষ্টা করবে। বাকিরা বাধা সরিয়ে তরুণীর শ্লীলতাহানি করবে। তাহারুশের প্রথা এই রকমই। খেলায় যারা রক্ষাকারীর ভূমিকা নেয়, তারাও আসলে বাঁচানোর নামে তরুণীর শরীরকে নানাভাবে স্পর্শ করে।

ইউরোপে ছড়ালো কবে থেকে?
জার্মানির সরকার জানিয়েছে, সিরিয়া-সহ আরব দুনিয়ার বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে শরণার্থীরা ইউরোপে আসার পর ইউরোপের পথেঘাটেও তাহারুশ ঘটতে শুরু করেছে। আরব থেকে শরণার্থীদের সঙ্গে ইউরোপে ঢুকে পড়েছে এই বর্বর খেলাও। জার্মান পুলিশ জানিয়েছে, বার্লিন, হামবুর্গ, ফ্র্যাঙ্কফুর্ট, ডুসেলডর্ফ, সুস্টগার্ট-সহ বিভিন্ন শহরে আরব থেকে আসা যুবকরা তাহারুশ ঘটিয়েছে। জার্মানির সরকার শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে সবচেয়ে জোরদার সওয়াল করেছিল। সেই দেশের প্রশাসনই তাহারুশ-এর অভিযোগ তোলায়, বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অস্ট্রিয়া এবং সুইৎজারল্যান্ডেও তাহারুশের খবর মিলেছে।






মন্তব্য চালু নেই