মেইন ম্যেনু

“মইরা গেলেও সিএনজি দেবো না, আমাকে হুদা পাইছো?”

“মইরা গেলেও আর সিএনজি (অটোরিকশা) দেবো না। আমাকে কি নাজমুল হুদা পাইছো?” সিএনজিচালিত অটোরিকশার অনুমোদনের জন্য তদবির করতে আসা একজনকে এভাবেই সাফ কথা জানিয়ে দিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার বিকাল চারটার দিকে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় লিফটের সামনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলেছিলেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সহযোগী কোনো একটি সংগঠনের নেতা দেখা করতে এলে মন্ত্রী জানতে চান, ‘কী জন্যে এসেছ?’ জবাবে ওই লোকটি বলেন, ‘আমার দুইটা সিএনজি অটোরিকশা লাগবে।’শুনেই ক্ষেপে যান ওবায়দুল কাদের। সবার সামনেই বলে ওঠেন, “তোমাকে দেবো সিএনজি? কেন তোমাকে সিএনজি দেবো। অনেক বড় বড় মানুষ সিএনজির জন্য ফোন করেছেন। আমি বলে দিছি মইরা গেলেও আর সিএনজি দোবো না।”

বলতে বলতে লিফটে চড়েন মন্ত্রী। বন্ধ হয়ে এলো লিফটের দরজা। তখনও বলেই যাচ্ছিলেন তিনি। ইশারা করলেন দরজা খুলতে। লিফটের দরজা আবার খুলে গেলে বলেন, ‘আমাকে কি নাজমুল হুদা পাইছো?’

ঈদের আগে এবং পরে মহাসড়কে একের পর এক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় নড়েচড়ে বসে সড়ক বিভাগ। ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুর্ঘটনাগুলোর বেশির ভাগই ঘটেছে তিনচাকার ধীরগতির যানবাহনের কারণে। এতে প্রাণহানিও বেশি হয়। সরকার সিদ্ধান্ত নেয় মহাসড়কে অটোরিকশার মতো তিন চাকার ধীরগতির যানবাহন চলতে পারবে না। গত ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। যে কারণে নতুন করেও আর সিএনজিচালিত অটোরিকশার অনুমোদন দিচ্ছে না বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ।

এসময় আরেকজন নিজেকে মন্ত্রীর কর্মী পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘লিডার আমি আপনার সঙ্গে ছাত্রলীগ করেছি…।’শুনে কিছুটা আবেগ আপ্লুত সড়ক মন্ত্রী বলেন, ‘আর এসব ভালো লাগে না। মাঝে মধ্যে মনে চায় সব ছেড়ে ছুড়ে আগের জীবনে ফিরে যাই।’ এসময় উপস্থিত অন্যরা হেসে ওঠেন।






মন্তব্য চালু নেই