মেইন ম্যেনু

‘মনে হচ্ছিল টয়লেটেই মারা যাব’

‘মনে হচ্ছিল এই বুঝি শেষ। আমি আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে শেষ বিদায় নিয়েছিলাম। তাকে বলেছিলাম, তোমাকে ভালোবাসি’।

মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা তরুনী তুভানা তাগসাভউল এভাবেই বর্ণনা করছিলেন তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মুহুর্তের কথা।

ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম রাতে তুরস্কের ইস্তানবুলে যে নাইট ক্লাবটিকে হামলা হয় সেখানে ছিলেন তুভানা। বন্দুকধারীর সে আক্রমণে ৩৯ ব্যক্তি নিহত হন, যার মধ্যে অন্তত ১৫ জন বিদেশি নাগরিক।

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে অনুষ্ঠান করতে যে নাইট ক্লাবে গিয়েছিলেন তুভানা ও তার বন্ধুরা। বন্ধুকধারীরা যখন আক্রমণ করে তখন তিনি টয়লেটে আশ্রয় নেন। সেখানে লুকিয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন তিনি।

তুভানা বলেন, ‘মনে হচ্ছিল টয়লেটেই মারা যাব। বিদ্যুৎ ছিলনা। গুলির আওয়াজও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ভাবছিলাম হামলাকারী হয়তো যে কোন সময় তাকে উড়িয়ে দেবে’।

মৃত্যু আসন্ন জেনে তিনি বন্ধুর কাছে থেকে বিদায় নেন। শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে যান তুভানা। সে ভয়ংকর মুহূর্তের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তার গলা ভারী হয়ে আসে।

রবিবার স্থানীয় সময় রাত দেড়টার দিকে ইস্তানবুলের অর্তাকয় এলাকায় রেইনা নাইট ক্লাবে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

সান্তা ক্লসের পোশাক পরা বন্দুকধারী নাইট ক্লাবের ভেতরে ঢুকেই গুলি চালাতে শুরু করে।

আক্রমণের সময় ক্লাবে প্রায় ৭০০ মানুষ ছিল। তারা নববর্ষ উদযাপন করছিল।

হামলার পর অনেকেই ভয় আর আতঙ্কে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট গ্রুপ এরই মধ্যে সে হামলার দায় স্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি






মন্তব্য চালু নেই