মেইন ম্যেনু

মরিচ খেয়েই বেঁচে আছেন ‘মরিচরাজা’

মরিচ খেয়েই বেঁচে আছেন তিনি। আমরা যেমন ভাত, রুটি, গোস্ত, মাছ, শাক, সবজি খাই তিনি কেবল খান মরিচ। তার খাবার একটাই, তা হচ্ছে ‘মরিচ’। তিনি কখনো খাবেন, মরিচের গুঁড়া, কখনো কাঁচা মরিচ, আবার কখনো সেদ্ধ মরিচআর এত মরিচ বাজার থেকে কেনার ঝক্কি না নিয়ে নিজের বাড়ির পেছনের জমিতে নিজের খাওয়ার জন্য মরিচ চাষ করেন তিনি। আট প্রজাতির খুব ঝাল মরিচ।

এরই মধ্যে লোকে তাকে আদর করে নাম দিয়েছে ‘মরিচরাজা’। তার আসল নাম লি ইয়ং ঝি হলেও ‘মরিচরাজা’ নামের আড়ালে আসল নামটা বলতে গেলে ঢাকা পড়ে গেছে। মধ্য চীনের হেনান প্রদেশের ঝেংঝু এলাকার মানুষের কাছে ‘মরিচরাজা’ এখন রীতিমতো লোকাল হিরো।এমন যার কীর্তি, তার নামডাক যে নিজের এলাকা ছাড়িয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়বে তাতে আর আশ্চর্য কি! তাইতো সংবাদ মাধ্যমের মনোযোগের কেন্দ্রে এখন তিনি।

আজ থেকে ১০ বছর আগে লি ইয়ং ঝি শুরু করেন মরিচ খাওয়া। শিনঝেং শহরে তার নিজের বাড়িতে যেদিন তিনি শুরু করলেন এই মরিচ ভক্ষণ, তারপর থেকে পরিমানটা কেবল বেড়েই চলেছে। খেতে খেতে তা এখন বাতিকে পরিণত হয়ে দৈনিক চাহিদা আড়াই কেজিতে এসে দাঁড়িয়েছে।তার এই অদ্ভুতুড়ে বাতিকটা এখন এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যে, ডিম, মাংস না খেলেও তার চলে। কিন্তু ‘মরিচামৃত’ ছাড়া একটা দিন? নৈব নৈব চ! সোজা কথায়, লি ইয়ং ঝি আর মরিচ ‘দু’জনে দু’জনার’। ‘চিলি কিং’ মরিচ খেতে খেতেই

সাংবাদিকদের বললেন, মরিচ ছাড়া আর তার কোনো খাবারই ভালো লাগে না। ‘চিলি কিং’য়ের ছেলে বলছে, বাবা এত ঝাল খায় কী করে বুঝি না।তবে ‘চিলি কিং’ বলেন, আমার কোনো আধ্যাত্মিক ক্ষমতা নেই। মরিচ খেতে পছন্দ করি তাই খাই। ডাক্তার বলেছে, আমি অন্য সবার মতোই স্বাভাবিক।






মন্তব্য চালু নেই