মেইন ম্যেনু

মল-এ গিয়ে এই খেলাটি তো খেলেন? এর ইতিহাস জানেন?

প্রাচীন সভ্যতায় বোওলিং বল তৈরি হতো খড় দিয়ে। উপরে থাকত চামড়ার আবরণ এবং তা বাঁধা থাকত দড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে।

আজকাল এই খেলাটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে শপিং মল-এর গেমজোনগুলির কল্যাণে। শোনা যাচ্ছে, ২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিক্সে এই খেলাটিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব বিবেচনা করছে অলিম্পিক কমিটি। অলিম্পিকে যাক বা না যাক, এই খেলাটি কিন্তু প্রচণ্ড উপভোগ্য। তবে প্রফেশনালি এই খেলা খেলতে প্রচুর অনুশীলন প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে জন্ম নিল এই খেলা?

শোনা যায়, প্রাচীন রোম এবং মিশরীয় সভ্যতা থেকেই নাকি উদ্ভব এই খেলার। মিশরে ৩২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ সময়কার একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সন্ধানে এই ধরনের একটি বলের ভগ্নাংশ পাওয়া যায়। প্রাচীন সভ্যতায় বোওলিং বল তৈরি হতো খড় দিয়ে। উপরে থাকত চামড়ার আবরণ এবং তা বাঁধা থাকত দড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে। মোটামুটি ৪০০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ জার্মানিতে বোওলিং জনপ্রিয় হয় ঠিক খেলা হিসেবে নয়, পাপমুক্তির একটি রিচুয়াল হিসেবে।

মোটামুটিভাবে মধ্যযুগের শেষ থেকেই, ইউরোপীয় অভিজাতদের প্রিয় লন গেম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় বোওলিং। তখন কিন্তু এটি একেবারেই আউটডোর গেম ছিল, ইনডোর নয়। শোনা যায়, রেনেসাঁ যুগে মার্টিন লুথার নাকি তাঁর ছেলেমেয়েদের জন্য বাড়ির পাশেই তৈরি করেছিলেন বোওলিং লেন। ইনডোর বোওলিং শুরু হয় উনবিংশ শতকের নিউ ইয়র্কে। তখনও কিন্তু ইউরোপে আউটডোর বোওলিং চালু ছিল। ১৯৮২ সালের কমনওয়েলথ গেমসে এই গেমটিকে মহিলাদের বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া ১৯৮৮ সালের সিওল অলিম্পিক্সে প্রদর্শনী খেলা হিসেবে রাখা হয়েছিল বোওলিংকে।

মূলত পাঁচ ধরনের বোওলিং চালু রয়েছে— ‘টেন-পিন’, ‘নাইন-পিন’, ‘ক্যান্ডেলপিন’, ‘ডাকপিন’ এবং ‘ফাইভ-পিন’। আধুনিক শহুরে জীবনযাপনে বোওলিং এত জনপ্রিয় হওয়ার একটি কারণ তো অবশ্যই এই খেলার ফান এলিমেন্টস কিন্তু তাছাড়াও ওজন কমাতে, শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে এবং মাসল ডেভেলপমেন্টেও খুবই কার্যকরী এই খেলা।






মন্তব্য চালু নেই