মেইন ম্যেনু

মশার কামড় খেয়ে ‘কোমায়’!

ছোট একটি কীটপতঙ্গ কিন্তু তার রয়েছে অনেক ক্ষমতা এটা যারা মানতে চান না তারা নিশ্চয় এবার বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন। কারন এই বিরক্তিকর মশার কামড় খাওয়ার পর এক ব্রিটিশ সংরক্ষনবিদ ইতি মধ্যে ‘কোমায়’ চলে গেছেন।

সম্প্রতি চীন সফরে গিয়েছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ সংরক্ষনবিদ ড. সোফি উইলিয়ামস। সফরে যাওয়ার পর চীনে এই সংরক্ষনবিদকে মশা কামড় দেয়, এবং এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আর ওই হাসপাতালে অবস্থানকালেই তিনি পুরোপুরি কোমায় চলে যান।

চিকিৎসাশাস্ত্রে ‘কোমা’ শব্দটি বেশ ভীতিকর। কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কারণে কোমায় চলে যায়, তাহলে তাকে জীবদ্দশায় ফিরিয়ে আনা খুবই কষ্টকর। রোগির শারীরিক ও অবচেতন মানসিক শক্তির উপর কোমা থেকে ফিরে আসা অনেকখানি নির্ভর করে।

চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ড. উইলিয়ামস জুলাই মাসের ৬ তারিখ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকাকালীন সময়েই মাথাব্যথার রিপোর্ট করেছিলেন। এরপরই একদিন চীন-ভিয়েতনাম সীমান্তবর্তী কুনমিং শহরের কাছাকাছি অচেতন হয়ে যান তিনি। সেখান থেকে তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

হাসপাতালের ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানান যে, এনোফিলিস মশার কামেড়ে তার মস্তিস্কে রক্তক্ষরণের সৃষ্টি হয়েছে।বর্তমানে ড. উইলিয়ামসকে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ডাক্তারদের পরামর্শ মোতাবেক এখনই তাকে অন্যত্র সরানো হচ্ছে না।

সংরক্ষনবিদের পরিবার পরিজন থাইল্যান্ডে অবস্থান করছেন এবং আশা করছেন উইলিয়ামস খুব তারাতারি এই অবস্থা থেকে সেরে উঠবেন এবং আবারও তার কাজে ফিরে যাবেন।

এখানে উল্লেখ্য যে, জাপানে প্রতিবছর প্রায় ৬৮ হাজার মানুষ এনোফিলিস মশার আক্রমনের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। আর ড. উইলিয়ামস মূলত উত্তর ওয়েলসের বাঙ্গোর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় একটি নতুন রোগের সন্ধান পেয়ে তিনি চীনে গিয়েছিলেন ঘটনার বিস্তারিত জানতে।






মন্তব্য চালু নেই