মেইন ম্যেনু

মসুলে ইরাকি বাহিনীর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

ইরাকের মসুল শহরে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে পরিকল্পিত আক্রমণের প্রথম দিনে ইরাকি বাহিনী এবং কুর্দি বাহিনীর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই আক্রমণে যোগ দিয়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমানও। খবর বিবিসির।

এদিকে, পেন্টাগনের দাবি প্রথম দিনের লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জিত হয়েছে। মসুল পুনরুদ্ধারের প্রথম দিনে ভাল অগ্রগতি হলেও জিহাদিদের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ হয়েছে খুবই কম এবং বিশ্লেষকরা বলছে, এখনো পর্যন্ত অর্জন বলতে যা বোঝানো হচ্ছে তা অনেকটাই প্রতীকী।

পেন্টাগনের মুখপাত্র পিটার কুক বলেছেন, মসুলের লড়াই শেষ হতে বেশ সময় লাগতে পারে কারণ ইসলামিক স্টেট রুখে দাঁড়িয়ে লড়াই করবে কিনা তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না।

এদিকে, মসুল অভিযানে কুর্দি পেশমেরগা যোদ্ধা এবং ইরাকি বাহিনীর যৌথ অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছে কুর্দিস্তানের আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট মাসুদ বার্জানি। ইরবিলের কাছে খাজির শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এরই মধ্যে আইএসের হাত থেকে অনেক এলাকা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

বার্জানি বলেন, এখনো পর্যন্ত ২শ’ বর্গকিলোমিটার এলাকা স্বাধীন হয়েছে। এটি মসুল অভিযানের প্রথম ধাপ। এখানে প্রথমবারের মত সন্ত্রাসী সংগঠন দায়েশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরাকি সেনাবাহিনী এবং পেশমের্গা যোদ্ধাদের রক্ত মিশ্রিত হচ্ছে। আমি আশা করি উভয়পক্ষের মধ্যে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের এটি একটি ভাল সূচনা।

ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুল আইএসের দখলে যায় ২০১৪ সালে। তারপর থেকেই ওই এলাকার নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে চলে যায়।

জঙ্গি সংগঠনটির প্রধান আবু বকর আল বাগদাদি খিলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়ার জন্য মসুলকেই বেছে নেন। একারণে মসুল পুনরুদ্ধারের একটি প্রতীকী মূল্যও রয়েছে বলে মনে করছে পেন্টাগন।

কয়েক মাসের দীর্ঘ পরিকল্পনার পর ইরাকি, কুর্দি এবং সুন্নি বিভিন্ন গোত্রের প্রায় ৩০ হাজার যোদ্ধা ইরাকে আইএসের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি মসুলে অভিযান শুরু করে।

ধারণা করা হচ্ছে, শহরটিতে এখনো ৪ থেকে ৮ হাজার আইএস যোদ্ধা অবশিষ্ট রয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, তারা মসুলে যুদ্ধের কারণে ঘরহারা মানুষদের জন্য আরো আশ্রয় শিবির তৈরি করছে। এখনো পর্যন্ত তাদের কাছে প্রায় ৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় দেয়ার মত তাঁবু ও খাদ্য রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই