মেইন ম্যেনু

মহেশখালিতে জনপ্রতিনিধিদের হাতেই সুরক্ষিত হবে বাল্যবিবাহ রক্ষা কবজ

জামাল জাহেদ, প্রতিবেদকঃ মহেশখালী উপজেলাতে বাল্য বিয়ে মুক্ত ঘোষনা করার কয়েকবার বেশ তোড়জোড় করেও সফল হতে পারছেনা উপজেলা প্রশাসন। আর এই ঘোষনার পর মুহুর্তেই পুরা উপজেলার গ্রামে গ্রামে বাল্য বিয়ে হবার হিড়িক পড়ে যায়। সমাজের জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তে এসব বিয়ে হচ্ছে অনেকটা প্রকাশ্যে বলা যায়। অভিভাবকরা নিরুপায় হয়ে বিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। বাল্য বিয়ের কারন অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, গোপনীয় রক্ষা করে অভিভাবকরা মেয়ের বাল্য বিবাহ ঠিক করেন পরে চেয়ারম্যান মেম্বারদের ভুলভাল বুঝিয়ে জম্ম তারিখ সংশোধন করে বিবাহ পড়াচ্ছে অহরহ,যেন দেখার কেহ নেই।

বড়মহেশখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহিদুল্লাহ জানান,বেশির ভাগ অভিভাবক অসচেতন হবার কারনে,নিজেরা জাহির করে বেড়ায় নিজের মেয়ে নিজে ইচ্ছামতো বিয়ে দেবে তাতে বাধা কি! তবে তারা জানেনা সেটা অপরাধ সরকার এবিষয়ে কঠোর।

এ বিয়ের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতা করছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক, সুশীল সমাজের লোকজন ও অভিভাবকেরা। মহেশখালীর সব ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র থেকে জন প্রতিনিধিরা দায়িত্বরত কর্মচারীদের দিয়ে আসল জন্ম নিবন্ধন গোপন করে বয়স বাড়িয়ে (১৮ বছরের উর্ধে) নকল জন্ম নিবন্ধন দিচ্ছে। ওই জন্ম নিবন্ধন দেখিয়ে বিবাহ রেজিষ্টার বিয়ে পড়াচ্ছেন। প্রশাসনের লোকজন হস্তক্ষেপ করলেই বিবাহ রেজিষ্টার (কাজী) চেয়ারম্যানের দেয়া জন্ম নিবন্ধন দেখিয়ে পাড় পেয়ে যাচ্ছেন বলে সরেজমিনে প্রতিয়মান হচ্ছে।

এ ভাবে গত এক মাসে কুতুবজোমে প্রায় ৩০ টির ও বেশী বাল্য বিবাহ হয়েছে। প্রশাসন পদক্ষেপ নিলেও থামছে না। কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ছৈয়দ নুর বলেন, বাল্য বিয়ের ক্ষতিকর দিক গুলো প্রতিরোধে যাদের বলিষ্ট ভুমিকা থাকা উচিত তারা এখনো অন্ধকারে আছেন।যার কারনে তা বন্ধ হচ্ছেনা বলে মনে করেন তিনি।

মহেশখালি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন বলেন বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে হলে জন প্রতিনিধিদের ভোটের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে এবং ইভটিংজিং বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

মহেশখালি উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মোঃ শহিদুল আলম বলেন কয়েকটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছি কিন্তু থামানো যাচ্ছে না। অন্যদিকে মহেশখালির অনেক সচেতনমহল বলেন যেখানে খবর পাওয়া যায় বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে তাৎক্ষনিক বন্ধের কার্য্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা এবং সরকারি কঠোর নির্দেশ দেওয়া দরকার জনপ্রতিনিধি ও কাজী সাহেবদের তবেই অনেকটা বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন হবে।






মন্তব্য চালু নেই