মেইন ম্যেনু

মাগুরায় এসিড দগ্ধ গৃহবধু জোহরার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে শালিখা ব্রাক

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরায় এসিড দগ্ধ জোহরা খাতুনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে শালিখা ব্রাক। পৌর এলাকার দেড়ুয়া গ্রামের এসিডদগ্ধ জোহরা খাতুন বর্তমানে ঢাকার সি আর বি হাসপাতালেরএসিড সারভাইবার ওর্য়াডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জমি থেকে উচ্ছেদ করতে ব্যর্থ হয়ে প্রতপক্ষ এসিড ছুড়ে মারলে সে মারাত্মক দগ্ধ হয়। চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠান হয়। জোহরার মেয়ে বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ এক আসামীকে গ্রেফতার করলেও বাকীরা রয়েছে অধরা। পুলিশ অন্যান্য আসামীদের ধরতে না পারায় মামলা তুলে নিতে বাদী ও বাদীর পরিবারের লোকদের নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে আসামীরা । হত দরিদ্র জোহরা খাতুন তার চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে পারছিলনা। এ সময় ব্রাক এ দায়িত্ব নেয়ায় ফলে সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পাবে।। এ ব্যাপারে দায়ের করা মামলার বিবরণে জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার ধরলা গ্রামের মোক্তার হোসেনের স্ত্রী জোহরা খাতুন ২ শিশু কন্যা ১ পুত্র সন্তান নিয়ে মাগুরা পৌর এলাকার দেড়–য়া গ্রামে এসে ঐ গ্রামের আবুল বিশ্বাসের কাছ থেকে ৬ শতক জমি কিনে ঘরবাড়ি তুলে ২ কন্যা ও এক পুত্র নিয়ে বসবাস করছিল। জমি ক্রয়ের সময় জমির মালিককে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা মুল্য নির্ধারণ করে ৭১ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করে। এর পর থেকে জমির মালিক টাকা নেয়া বন্ধ করে জমি থেকে ঘরবাড়ি উঠিয়ে নেয়ার জন্য নানা ধরনের নির্যাতন শুরু করে। প্রায়ই বাড়ি ছেড়ে যাবার হুমকি দিয়ে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। এ ঘটনার তিনদিন আগে জোয়াদ বিশ্বাস, কিবরিয়া, মোস্তাক বিশ্বাস, পিন্টু, লিয়াকত সংঘবদ্ধ হয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে বাড়ি ছেড়ে জায়গা খালি করে দিতে বলে। আর তা না হলে সবাইকে খুন করে ফেলবে বলে হুমতি দেয়। এ ঘটনার জের ধরে গত ৩১মে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে প্রতিবেশীর নলকুপে গোসল করার সময় আসামী বিবি খাতুন ও সানজিদা নলকুপের কাছে আসিয়া অন্যান্য আসামীদের ডাক দেয় । এ সময় আসামী কিবরিয়া, জোয়াদ বিশ্বাস, মোস্তাক এর হাতে থাকা এসিড এর বোতল খুলে ছুড়ে মারে। এসময় জোহরার মুখ, চোখ, গলা, স্তন,তলপেট ঝলসে যায়। যন্ত্রনায় মায়ের আত্ম চিৎকারে জোহরার এক মেয়ে ও এক ছেলেসহ এলাকার লোকজন ছুটে আসে এবং আসামীদের দৌড়ে যেতে দেখে। এঘটনায় জোহরার মেয়ে মুক্তি খাতুন বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে মাগুরা সদর থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২ এ ৫/৭ ধারায় মামলা গ্রহনকরে।পুলিশ ১ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু এক মাস অতিবাহিত হলেও বাকী আসামীদের গ্রেফতার করতে না পারায় বাদী ও তার পরিবার নিরাপত্তার অভাব বোধ করছে।






মন্তব্য চালু নেই