মেইন ম্যেনু

মাছ, চিকেন নাকি মাটন কোনটা আপনার শিশুর জন্য উপযুক্ত

যখনই শিশুদের সঠিক ডায়েটের প্রশ্ন ওঠে, তখন বেশিরভাগ অভিভাবকেরা একটা কমন প্রশ্ন করেন। মাছ, চিকেন নাকি মাটন, কোনটা শিশুদের জন্য উপযুক্ত? চিকিত্সকেরা বলেন, নন-ভেজ ডায়েটে প্রচুর পরিমানে আয়রন, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন এবং মিনারেলস থাকে। শিশুদের বেড়ে ওঠওার জন্য এই সমস্ত উপকরণ খুবই প্রয়োজনীয়। এই সমস্ত উপাদানের ফলে শিশুদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের পরিমান বৃদ্ধি পায়। একইসঙ্গে তাদের শরীরে স্ট্যামিনাও বাড়ে।

একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, মাংসতে সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় উপাদান, ৯টি জরুরি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। তাই মাংসের মাধ্যমে আমাদের শরীরে সম্পূর্ণ প্রোটিন পৌঁছয়। ফর্টিস হাসপাতালের নিউট্রিশন থেরাপিস্ট জয়ি খেমকার শিশুদের জন্য উপযুক্ত নন-ভেজ ডায়েট সম্পর্কে জানিয়েছেন।

মাছঃ

১. শিশুদের বৃদ্ধির জন্য মাছ আদর্শ আমিষ খাবার। মাছে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন, ভিটামিন এবং মিনারেল থাকে। সবথেকে জরুরি উপাদান যেমন, ওমেগা থ্রি এবং DHA থাকে স্যামন, টুনা, কড, হ্যালিবাট এবং ম্যাকারেল মাছে থাকে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ, DHA, এই সমস্ত উপাদানগুলি শিশুদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন কোষ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, চোখ ভালো রাখতেও মাছ খুবই উপকারী।

২. একাগ্রতা, মনোযোগ, ভালো ব্যবহার প্রভৃতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে মাছ। মাছ খেলে অ্যাটেনশন হাইপেরাকভিটি ডিসঅর্ডার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৩. স্যামন মাছে বিশেষ অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। যা শিশুদের ঘুমের উপযোগী। আর সঠিক পরিমান ঘুম যে আমাদের প্রত্যেকের জন্য কতটা জরুরি, তা বলাই বাহুল্য।

৪. স্যামন মাছে ক্যালসিটোনিন প্রোটিন আছে। যা আমাদের হাড়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই মাছ খেলে হাড়ের বিভিন্ন অসুখ যেমন, অস্টিওআর্থারাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

৫. নিয়মিত অর্থাত্ সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন মাছ খেলে ক্যানসারের (ওরাল ক্যাভিটি, কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার) সম্ভাবনা কমে যায়। এমনকি প্রস্টেট এবং ওভারিয়ান ক্যানসারও প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়

চিকেনঃ

মাছের মতোই শিশুদের বৃদ্ধির জন্য চিকেন খুবই উপকারী। তবে মাছের মতো এত গুণাগুণ নেই চিকেনে।

মাটনঃ

বিফ, পর্ক এবং মাটন শিশুদের কম পরিমানে খাওয়ানো উচিত্।






মন্তব্য চালু নেই