মেইন ম্যেনু

মাছ ধরা নিয়ে মারপিট: আহত ৬ ॥ ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ

কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ ) সংবাদদাতা : নওগাঁর রাণীনগরে বিলমুনসুরে মাছ ধরা নিয়ে মৎস্যজীবিদের মধ্যে মারপিটের ঘটনায় উভয় দলের ৬ জন আহত হয়েছে।। এসময় মাছ ধরা জাল,নৌকা শ্যালোমেশনিসহ বিভিন্ন মাছ ধরা উপকরণ আগুন দিয়ে পুড়ে ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার সকালে উপজেলার মিরাট বিলমুনসুরে। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,প্রায় সাড়ে সাত শত বিঘা এরিয়া বিলমুনসুর বিলে এলাকার কয়েকটি গ্রামের প্রায় দেড় হাজার পরিবার মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। এলাকার সৎসজীবিরা উক্ত বিলে বিভিন্ন কাঠা,খড়ি,বাঁশের বানা দিয়ে যার যার মতো মাছের অভয়ারন্নস্থল গড়ে তোলে । বিলের পানি কমে যাবার সাথে সাথে তারা ধীরে ধীরে বিল থেকে মাছ শিকার করে সারা বছরের রুজি রোজগার করে । এমতবস্থায় শনিবার দুপুরে মিরাট এলাকার প্রায় দেড় থেকে দুইশত লোকজন মাছ ধরতে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এতে মিরাট উত্তর পাড়া গ্রামের পক্ষের রাকিব হোসেন (২২),মিঠু (২৪),বেলসন (২০),জুয়েল হোসেন (৩২) ও সাহাদৎ হোসেন (৩৪) আহত হয়। আহতদের মধ্যে রাকিবকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছ্ ে। এবং আতাইকুলা এলাকার পক্ষের আতাইকুলা গ্রামের জামাল উদ্দীন (৬০) আহত হয়। এর পর গত রবিবার সকালে আবারো উভয় পক্ষের লোকজন মাছ ধরতে আসলে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পরে। এসময় মাছ ধরা জাল,বাশের বানা,খলশানি,নৌকা,শ্যালোমেশিন সহ বিভিন্ন উপকরণ ভাংচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে পরিবেশ শান্ত হয়্ ।

এব্যাপারে হরিশপুর মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি মাহফুজুর রহমান খোকা জানান, হামলা কারীরা আমাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিল । দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর,অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে। এতে প্রায় আমাদের ৮/১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৎস্যজীবি বছির উদ্দীন (৪৫) জানান, তার প্রায় ২ লক্ষ টাকার উপকরণ ভাংচুর ও আগুনে পুড়ে দিয়েছে। মৎস্যজীবি বেলাল হোসেন জানান তার শ্যালোমেশিন আগুন দিয়ে পুড়ে দিয়েছ্।ে

মিরাট পক্ষের আহত রাকিব হোসেনের পিতা আমজাদ হোসেন জানান, আমাদের লোকজন সেখানে মাছ ধরতে গেলে আতাইকুলা এলাকার মৎস্যজীবিরা আমাদের লোকজনের উপর হামলা চালায় । সেখানে ভাংচুর বা অগ্নিসংযোগের কোন ঘটনা ঘটেনি।

এব্যাপারে রাণীনগর থানার ওসি আব্দুল লতিফ খান জানান, ঘটনা শুনেছি,সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল ,অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই