মেইন ম্যেনু

‘মাথা গরম’ পুলিশের কাণ্ড !

যাত্রী নিয়ে দ্রুত গতিতে রিকশা চালিয়ে যাচ্ছেন চালক। আর রিকশার পেছনে পেছনে দৌঁড়াচ্ছে পুলিশ। ঘটনা কী? পুলিশ কেন এভাবে দৌঁড়াচ্ছে? রাস্তার দুই পাশে উৎসুক জনতাও তাকিয়ে আছে, কেউই কিছু বুঝতে পারছে না। মিনিট তিনেক দৌঁড়ানোর পর পুলিশ যখন রিকশাটিকে আটক করল তখন জানা গেল আসল কাহিনি।

ঘটনাস্থল রাজধানী রমনার ইস্কাটনের প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে। আর পুলিশ কনস্টেবল ইমরান দায়িত্ব পালন করছিলেন মহিলা অধিদপ্তরের পাশে। প্রবাসী কল্যাণ ভবনের পাশের রাস্তাটি একমুখী হওয়ায় অন্য পাশ দিয়ে যানবাহন প্রবেশ নিষেধ। ওই রিকশাচালক যাত্রী নিয়ে উল্টো পথে রিকশা ঢুকিয়ে দেন। এসময় পুলিশ তাকে নিষেধ করে। কিন্তু পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে চালক রিকশা চালিয়ে প্রবাসী কল্যাণের দিকে যেতে থাকেন। বার বার বলার পরেও রিকশাচালক কোনো ভ্রুক্ষেপ না করায় পুলিশও তার পেছনে পেছনে ছুটতে থাকেন। কিন্তু ততক্ষণে রিকশাচালক প্রবাসী কল্যাণ ভবনের কাছাকাছি চলে গেছেন। মূল রাস্তায় উঠে গেলে রিকশাচালককে আর ধরা যাবে না- এই ভেবে আরো জোরে দৌঁড় দেন পুলিশ কনস্টেবল ইমরান।

মিনিট তিনেক দৌঁড়ানোর পর রিকশাচালককে ধরতে সক্ষম হন তিনি। রিকশার পেছন থেকে টেনে ধরার সময় রিকশা উল্টে নারী যাত্রী পড়ে যান। এতে আরো ক্ষেপে যান পুলিশ সদস্য ইমরান। এসময় তাকে মারতে উদ্ধত হলে চালক দৌঁড়ে দূরে চলে যায়। চালককে না পেয়ে রাস্তার মাঝখানেই রিকশার চাকার বাতাস ছেড়ে দেন তিনি। রিকশার আসনটি ভেঙ্গে ফেলেন। পথচারীরা তাকে অনুরোধ করলেও কারো কথাই শুনেননি ইমরান। এসময় রাস্তার উভয় পাশে যানজট লেগে যায়। পরে তিনি রিকশাটি নিয়ে মহিলা অধিদপ্তরের কাছে যান। চালককেও তার পেছনে পেছনে যেতে দেখা যায়।

রিকশাচালক জানান, ‘রাস্তায় প্রবেশের পর স্যার রিকশা থামানোর জন্য ডাক দিয়েছিলেন। ভাবলাম- এখন যদি ফিরে যাই পুলিশ হয়তো আমাকে জরিমানা ও মারধর করতে পারে। তাই উনার কথা না শুনেই চলে আসি।

জানতে চাইলে ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ কনস্টেবল ইমরান বলেন, ‘ওকে বার বার নিষেধ করা সত্ত্বেও রিকশা নিয়ে টান দিছে। এতে আমার মাথা গরম হয়ে যায়। পরে জিদ করেই ওর পেছনে পেছনে দৌঁড় দেই।’






মন্তব্য চালু নেই