মেইন ম্যেনু

মার্চে ভারত যেতে পারেন খালেদা

আগামী মার্চ মাসে ভারত সফরে যেতে পারেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। নয়াদিল্লিতে বিশ্ব সাংস্কৃতিক উৎসব উপলক্ষে এক সেমিনারে যোগদানসূত্রে তার এই সফর হতে পারে।

বিএনপির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আগামী ১২-১৩ মার্চ নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ‘ওয়ার্ল্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল-২০১৬’। এই অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রও এসেছে।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন ওই উৎসবে দলের চেয়ারপারসনের আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ওয়ার্ল্ড ফোরাম ইথিকস ইন বিজনেস ও দ্য আর্ট অব লিভিং ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করছে।

রিপন জানান, ওয়ার্ল্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যালের একটি সেমিনারে যোগ দেয়ার জন্য তাদের পক্ষ থেকে বিএনপির চেয়ারপারসনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১২ মার্চ সেমিনারটি শুরু হবে। তবে তিনি যাবেন কি না সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

সফরে ভারতের সরকার ও রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার সাক্ষাতের জন্য সময় চাওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নে রিপন বলেন,“এ ধরনের সফরে সাধারণ সাইড লাইন মিটিং হয়। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা থাকতেই পারে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সময় চাওয়া হয়েছে কি না এ ব্যাপারে আমার জানা নেই।”

দলের একটি সূত্র জানায়, ওই উৎসবে খালেদা জিয়ার যোগ দেয়ার বিষয়ে আয়োজকদের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বিএনপি। তবে এই সফর নির্ভর করছে আরও কিছু অনুষঙ্গের ওপর।

সূত্র বলছে, দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের জন্য প্রাথমিকভাবে ১৯ মার্চ নির্ধারণ করা আছে। কাউন্সিল ঘিরে সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে খালেদা জিয়ার ভারত সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে ভারত সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও ক্ষমতাসীন বিজেপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়সূচি চূড়ান্ত করার পর আয়োজকদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।

২০১২ সালের শেষের দিকে বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া ভারত সফরে যান। সে সময় তিনি দেশটির রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কংগ্রেস ও বিজেপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ওই সফরে কংগ্রেসের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা হয়নি।

জানা যায়, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে ধীরে ধীরে সম্পর্কোন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে দলে।






মন্তব্য চালু নেই