মেইন ম্যেনু

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে নতুন প্রক্রিয়ায় যে চুক্তি হয়েছে তা এখনো বহাল আছে। তাই বাংলাদেশ সরকার চুক্তি অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব বেগম শামসুন নাহার।

মালয়েশিয়া সরকারের বিদেশি কর্মী নেয়া স্থগিত রাখার ঘোষণার ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি এ কথা জানান। তিনি জানান, গত দু’দিন আগে স্বাক্ষরিত ‘জিটুজি প্লাস’ চুক্তির যাবতীয় কার্যক্রমও এখনো অব্যাহত আছে।

প্রায় একই কথা বলেছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ত জায়েমও। ঢাকা থেকে ফিরে এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করলেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্প্রতি সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক চুক্তি (এমওইউ) বৈধতা হারাবে না।

বেগম শামসুন নাহার বলেন, ‘আপনাদের (সংবাদকর্মী) মতোই আমরাও সেখানকার পত্রিকার মাধ্যমে কর্মী নেয়া স্থগিত করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তবে সেই দেশ (মালয়েশিয়া) থেকে আমাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু জানানো হয়নি। যেহেতু তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি, তাই বাংলাদেশের সাথে এ চুক্তি বহাল আছে। আমাদের চুক্তির কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে।’

এ সংবাদ দেখার পর আপনাদের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়ার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়েছিল কি না? এর জবাবে সচিব বলেন, ‘আমরা নিজে থেকে তাদের সাথে এখনো কোনো ধরনের যোগযোগ করিনি বা যোগাযোগ করার চেষ্টাও করিনি। তারা যদি তাদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো কিছু জানায় তাহলেই আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবো।’

তবে মন্ত্রণালয়টির সাবেক সচিব খন্দকার ইফতেখার হায়দার বলেন, ‘আমার এই বিষয়ে খুব বেশি ‍কিছু জানা নেই। আমিও পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তবে তারা কেন এটা করলো সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানা দরকার।’

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার প্রবাসীকল্যাণ ভবনে কয়েকটি সেক্টরে সোর্স কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ থেকে অধিক সংখ্যক কর্মী নেয়ার জন্য ‘জিটুজি প্লাস (সরকার হতে সরকার)’ চুক্তি স্বাক্ষর করেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী রিচার্ড রায়ত জায়েম। আগামী ৫ বছর দু’দেশের মধ্যে এই চুক্তি কার্যকর থাকবে বলে চুক্তি শর্তে বলা আছে। তবে তার পরদিন শুক্রবার ‘সোর্স কান্ট্রি’ থেকে কর্মী নেয়া স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন মালয়েশিয়া সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি। যার ফলে শুরুতেই এই ঐতিহাসিক চুক্তিটির হোঁচট খাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই