মেইন ম্যেনু

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণের নামে সক্রিয় প্রতারক চক্র

মালয়েশিয়ায় অবৈধ শ্রমিকদের বৈধকরণের সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ৩০ জুন (বৃহস্পতিবার)। এদিকে, অবৈধ শ্রমিকদের বৈধকরণের নামে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কতিপয় প্রতারক চক্র। বৈধ করার প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। অবশ্য, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ডেডলাইনকে সামনে রেখে অবৈধ শ্রমিক ‘বৈধকরণের’ ঘোষণা সম্বলিত নানা রঙ-বেরঙের পোস্টারের ছেয়ে গেছে রাজধানীর অলি-গলি। দেশটির অভিবাসন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘বৈধ করণের’ কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রচারক চক্রগুলো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রি-হিয়ারিংয়ের নিবন্ধনে অতিরিক্ত সার্ভিস ফিসহ শ্রমিকদের গুণতে হচ্ছে প্রায় ৪ থেকে ৫শ’ রিঙ্গিত। যা প্রায় ১৬টি ক্যাটাগরিতে জমা দিতে হচ্ছে। এদিকে, যারা আবেদন করছেন তাদেরকে কোনো গ্যারান্টি দেয়া হচ্ছে না। যদি কোনো আবেদন নাকচ করা হয় তাহলে সেই টাকাও ফেরত পাবেন না আবেদনকারীরা। এমনকি কেন টাকা ফেরত পাবেন না তার নির্দিষ্ট কোনো উত্তর মিলছে না।

প্রবাসীরা বলছেন, নিজ নিজ কোম্পানির নামে (যে কোম্পানিতে কাজ করেন) নিবন্ধন করে নেওয়া দরকার। এ ব্যাপারে শ্রমিকেরা নিজ নিজ মালিকের সঙ্গে আলোচনা করলে সবচেয়ে ভালো হয়।

তবে মালয়েশিয়া সরকার বলছে, বিদেশি শ্রমিক পুনঃনিবন্ধন প্রকল্পের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর থেকে কমিয়ে ৩১ জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশি শ্রমিক নিয়োগদাতা কোম্পানিগুলোর অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ করে নেওয়ার জন্য এটাই সর্বশেষ সুযোগ।

ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমারকে আলাদা করে বাংলাদেশসহ ১৫টি সোর্স কান্ট্রিকে একটি গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মোট ৫টি ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানিকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশসহ গ্রুপের ১৫টি দেশের শ্রমিকদের নিবন্ধনের কাজ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মাই ইজির নেতৃত্বে ৩টি কোম্পানিকে পিএমএফ কনসোর্টিয়াম করা হয়েছে।

এদিকে, দেশটিতে থাকা অবৈধ শ্রমিকদের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতে গজিয়ে উঠেছে বিভিন্ন অ্যাজেন্ট বা চক্র। এসব চক্র যেমন অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ করার কথা বলছে, তেমনি মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া শ্রমিকদের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য টাকা জমা নিচ্ছে। পোস্টার-লিফলেট ছাপানোসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও প্রচারণা চালিয়ে প্রতারকরা রমরমা বাণিজ্য করছে।






মন্তব্য চালু নেই