মেইন ম্যেনু

‘মাশরাফিকে অধিনায়ক করা অনেক বড় সিদ্ধান্ত ছিল’

২০১৪ সালে দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করার পর বড় একটা ক্ষরা – শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ, এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর – কোনটাতেই বলার মত কোন সাফল্য ছিল না বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের।

তবে, দৃশ্যপটটা বদলে যায় এরপরেই। হঠাৎ করে বদলে যাওয়া এই বাংলাদেশের এই রহস্যটা কি? জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান এই সাফল্যের কারিগর মনে করছেন সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে।

দৈনিক ইত্তেফাককে এই ব্যাপারে বললেন, ‘মাশরাফি বিন মর্তুজাকে অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়াটা অনেক বড় একটা সিদ্ধান্ত ছিল। এই জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতিসহ বোর্ডে সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। মাশরাফির অধিনায়কত্ব অসাধারণ। তার দায়িত্ব কিন্তু নিজে ব্যক্তিগতভাবে পারফরম করে না। সে দলের প্রত্যেকের কাছ থেকে সেরাটা বের করে নিতে পারেন। এটাতে সে শতভাগ সফল।’

গত বছর, দুই অধিনায়কের ‍যুগে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সিদ্ধান্তে টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে বহাল থাকেন মুশফিকুর রহিম। সেখানে তার ডেপুটি তামিম ইকবাল। আর সীমিত ওভারে মাশরাফি অধিনায়ক ও সাকিব আল হাসান সহ অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জিম্বাবুয়েকে গত বছর শীতে টেস্ট ও ওয়ানডে মিলিয়ে টানা আটটা ম্যাচে হারিয়ে শুরু হয় জয়যাত্রা। সেই পারফরম্যান্সের আত্মবিশ্বাসে মাশরাফির নেতৃত্বে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

চলতি বছর বিশ্বকাপের পর তিন বড় শক্তি – পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এসেছে ওয়ানডে সিরিজ জয়। এরপর সর্বশেষ দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়েকেও হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। আর এই সব কিছুর মূলেই আছে মাশরাফির নেতৃত্ব!

আতহার আলী খানের মতে, বিশ্বের সেরা দলগুলোকে হারানোর আত্মবিশ্বাস এবার আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কাজে দেবে, ‘বিশ্বকাপের পর পাকিস্তান, ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো নাম্বার ওয়ান দলকে পরাজিত করা। আগে আমরা সাকিব-তামিম এবং মুশফিকের উপর নির্ভরশীল ছিলাম। আমাদের আগে বিশ্বাস ছিল এই দুই তিনজন রান না করতে পারলে আমরা ম্যাচ জিততে পারবো না। কিন্তু এখন সাব্বির রহমান এবং সৌম্য সরকারের মতো প্রতিভাবান ব্যাটসম্যানরা তৈরি হয়েছে। তাছাড়া মুস্তাফিজের মতো বোলারের আবির্ভাব হয়েছে। যারা কিনা যে কোন মুহূর্তে ম্যাচের পট পরিবর্তন করার সক্ষমতা রাখে। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশ সামনে আরো ভালো করবে। কারণ এই পারফরম্যান্স নিয়েই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে।’






মন্তব্য চালু নেই