মেইন ম্যেনু

মায়াবি আলোয় ঘর সাজাতে..

শুধু প্রয়োজন নয়, ঘরের সৌন্দর্যে বিশেষ আঙ্গিক আনতে আলোর ব্যবহার চলে সৌখিনভাবে। পোশাকি নাম ডেকোরেটিভ লাইটের এই বাতির উজ্জ্বলতা কম। মায়াবি পরিবেশ তৈরিতে এসব বাতির জুড়ি নেই। মাল্টি কালারড হ্যাঙ্গিং বাতির কোনোটি এক বাতির, আবার কোনোটি তিন বাতির, নকশাও প্রচুর। কোনো বাতির শরীরে ঝিনুকের নকশা, কোনো বাতির গায়ে মাদার অব পার্লের নকশা আবার কোনোটাতে ঘষা কাচের নকশা।

আড্ডার আমেজকে ধরতে নরম আলো, আবার অতিথিকে স্বাগত জানতে উজ্বল আলো। এগুলিকে বলে মুড লাইট। যেমন রকমারি ওয়াল ব্র্যাকেট। স্টিল, পিতল ইত্যাদি ফ্রেম-এর ওপর একটি বা দুটি আলোর সেট। স্বল্প পরিসরের এই আলো একটা নাটকীয় ভাব আনে। বিছানার পাশে ওয়াল ব্র্যাকেট লাগালে বই পড়ার কাজেও লাগবে। সাবেকি ধাঁচে সাজানো ঘরের জন্য পাবেন অ্যান্টিক লুক-এর ওয়াল ব্র্যাকেট।

এক চিলতে ডাইনিং স্পেসে চমক আনতে ঝুলিয়ে দিতে পারেন এক বাতির রংচঙে হ্যাঙ্গিং। বড় ঘরে অবশ্যই লাগাতে হবে সিলিং হ্যাঙ্গিং। স্টিলের ফ্রেম থেকে ঝোলানো কাট গ্লাসের তৈরি ওল্টানো ছাতার আকারের সিলিং হ্যাঙ্গিং পাবেন। কাঠের আসবাব দিয়ে সাজানো ঘরের জন্য রয়েছে বাবুই পাখির বাসার নকশার ঝোলানো আলো। ক্রিস্টালের দড়ির তৈরি ছোট্ট ঝোলানো আলোগুলোও দেখতে দারুণ। রয়েছে ফাইবারের তৈরি তিন বাতির আলোর হ্যাঙ্গিং লাইট। ঘরে রকমারি রঙের ব্যবহার থাকলে এ রকম হ্যাঙ্গিং হবে আদর্শ। বিছানার একপাশে রাখতে পারেন বাহারি কাজের ল্যাম্প শেড।

ছোটদের ঘরের জন্যও রয়েছে নানা ধরনের আলো। যেমন খেলার ঘর সাজাতে পারেন রিক্সা, সাইকেল, জিপ, ফুটবল প্রভৃতির আদলে তৈরি সিলিং হ্যাঙ্গিং দিয়ে। ছিমছাম, অথচ ভারি মজার দেখতে। বাচ্চার ঘরে লাগানো যেতে পারে বাস্কেট বল, ব্যাডমিন্টন র্যাকেট বা মিকি মাউসের আদলে তৈরি ওয়াল ব্র্যাকেটও। ওর পড়ার টেবিলে রাখার জন্য মজার কবিতা লেখা ল্যাম্পশেডগুলি। এসব বাতির শরীর দিয়ে বেরবে হালকা রঙের আলোর ছটা। পছন্দের এসব বাতি স্থানভেদে পাবেন দামের ভিন্নতায়। বাতি কিনতে রাজধানীর পল্টন, গুলশান ১-, বনানী, বসুন্ধরা সিটিতে যেতে পারেন। এখানে অনেক নানা রকম বাতির অনেক দোকান পাবেন। এছাড়াও যাচাই করে পছন্দের বাতি কেনার সুযোগও রয়েছে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই