মেইন ম্যেনু

মিঠাপুকুরে ইউপি নির্বাচনে লড়ছেন আ’লীগ, বিএনপি ও জাপার ২০ প্রার্থী

মোঃ শামীম আখতার, উপজেলা প্রতিনিধি, মিঠাপুকুর (রংপুর)॥ মিঠাপুকুর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ধাপে। আগামী ২৩ এপ্রিল। নির্বাচনকে ঘিরে উপজেলায় প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি- এই ৩ দলের মনোনিত প্রার্থীরা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে, জামায়াতে ইসলামী চেয়ারম্যান পদে কোন ইউনিয়নেই প্রার্থী দেয়নি।

যেসব ইউনিয়নে ২৩ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেগুলো হলো- ৩নং পায়রাবন্দ ইউনিয়ন, ৬নং কাফ্রিখাল, ৭নং লতিবপুর, ১৪নং দুর্গাপুর, ১৫নং বড় হযরতপুর, ১৬নং মির্জাপুর ও ১৭নং ইমাদপুর ইউনিয়ন। আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থীরা হলেন- ফয়জার রহমান খাঁন, আশরাফুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী মন্ডল, সাইদুর রহমান তালুকদার সাঈদ, রোস্তম আলী, আব্দুর রউফ মাস্টার ও আফসার আলী। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনিত প্রার্থীরা হলেন- আলহাজ্ব রেজাউল ইসলাম রেজা, হাফিজার রহমান হাফিজ, শাহ্ মো. আব্দুর রহমান সেতু, সোহ্রাওয়ার্দী, আব্দুস সালাম নওশা, গোলাম আযম মিলন এবং শহিদুল ইসলাম খন্দকার। বিএনপি দুর্গাপুর ইউনিয়ন বাদে ৬টি ইউনিয়নে তাদের দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। ওই ইউনিয়নে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। বিএনপি’র প্রার্থীরা হলেন-হযরত আলী, শামীমুর রহমান শামীম, আমিনুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান প্রামাণিক ও রুহুল আমিন খন্দকার। এছাড়া, এসব ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৮ জন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এই উপজেলায় কোন ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী দেয়নি। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী দেলোয়ার হোসাইন সাইদীর মামলার রায়ের দিনে সংহিসংতা ও বিভিন্ন নাশকতার মামলায় জামায়াত-শিবিরের অনেক নেতাকর্মী জেলা হাজতে রয়েছেন। এছাড়া, অন্যরা গ্রেফতার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এর ফলে, দলটির কোন নেতা প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে পারছেন না। তাদের কোন প্রার্থী ঘোষনা করা হয়নি। তবে, জামায়াত সমর্থিত ভোট বিএনপির বাক্সে যাবে বলে বিশ্লেষকদের ধারনা।






মন্তব্য চালু নেই