মেইন ম্যেনু

মিনায় নিহত বাংলাদেশি ৭৯, নিখোঁজ ৯০

হজ পালন করতে গিয়ে মিনায় পদদলিত হয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৭৯ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে সৌদি আবরে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত। এদের মধ্যে ৬৬ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৯০ জন।

এর আগে সর্বশেষ গত ৫ অক্টোবর সৌদি আবরে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ জানিয়েছিলেন, মিনার ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা ৫১ জন। চারদিনের ব্যবধানে আরো ২৮ জন বাংলাদেশি হাজির মৃতদেহ শনাক্ত করা হলো।

তিনি আশংকা করেন নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। কারণ এখনও ৯০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

গোলাম মসীহ আরও বলেন, নিখোঁজদের অনেকের মৃতদেহ শনাক্ত করা হচ্ছে। সনাক্ত করতে সময় লাগছে বলেই ধাপে-ধাপে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। মৃতদেহ সনাক্ত করা এবং সেটি নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে। যাদের মৃতদেহ সনাক্ত করা হচ্ছে তাদের দাফনের বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের মতামত নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

এদিকে, যাদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না, তাদের ডিএনএ পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজনদের মক্কার আল নূর বিশেষায়িত হাসপাতালে ডিএনএ নমুনা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেও নমুনা দেওয়া যাবে।

মৃত ব্যক্তিদের দাফনের কি ব্যবস্থা করা হবে সেজন্য বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর মতামত জানতে চায়। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ দূতাবাস পদক্ষেপ নেয়।

“সবাই চায় তাদের স্বজনকে যেন মক্কা-মদিনায় দাফন করা হয়। সে রকম একটা ইচ্ছা দেখা যাচ্ছে।”বলে জানালেন মসীহ।

তিনি বলেন, মৃতদেহ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন বিধি-নিষেধ নেই। কেউ যদি তার স্বজনের মৃতদেহ দেশে নিতে চায় তাহলে সৌদি কর্তৃপক্ষ সে ব্যবস্থা করবে।

মসীহ জানান, নিখোঁজদের খোঁজে কাজ চলছে এবং সৌদি কর্তৃপক্ষ নিহত হাজিদের ছবি ধাপে ধাপে প্রতিদিন প্রকাশ করছে।

গত ২৪শে সেপ্টেম্বর মক্কার নিকটবর্তী মিনায় হজের সময় শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে যাওয়ার পথে পদদলিত হয়ে শত শত হাজি মারা যান। সৌদি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাতশো। কিন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করেছে যে মৃতের সংখ্যা ১২শ’র বেশি।






মন্তব্য চালু নেই