মেইন ম্যেনু

মিশরীয়দের সৌন্দর্যের ৭ গোপন রহস্য আপনি জানেন কি?

মিশরীয়দের সৌন্দর্য বিশ্বখ্যাত। মিশরীয় নারী ক্লিওপেট্রার কথা আমরা সবাই জানি। তার সৌন্দর্যের পূজারী ছিলেন সে সময় রাজা থেকে শুরু করে অনেক সম্মানীয় ব্যক্তিগণ। আপনি কি জানেন সৌন্দর্যের রাণী ক্লিওপেট্রার গোসলে দুধ ব্যবহার করতেন? সৌন্দর্যচর্চায় মিশরীয় নারীরা প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল ছিলেন। তাদের সৌন্দর্যের গোপন কিছু রহস্য নিয়ে আজকের এই ফিচার।

১। অ্যালোভেরা

মিশরীয় নারীরা ত্বক এবং চুলের যত্নে অ্যালোভেরা জেলের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। অ্যালোভেরার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং পুষ্টি গুণ ত্বকের উজ্জ্বলতা এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে থাকে। শুধু তাই নয় হজম শক্তি বৃদ্ধি এবং ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

২। দুধ এবং মধু

মিশরীয় নারীরা মধু এবং দুধের প্যাক বডি মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। গোসলের আগে মধু এবং দুধের প্যাক সারা শরীরে কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর গোসল করুন। এটি ত্বক এক্সফলিয়েট এবং ময়েশ্চারাইজ করে।

৩। নারকেল দুধ এবং শিয়া বাটার

চুলের যত্নে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের পরিবর্তে নারকেলের দুধ অথবা শিয়া বাটার ব্যবহার করেন মিশরীয় নারীরা। নারকেলের দুধ চুলে কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।

৪। লবণের ব্যবহার

বডি স্ক্রাব হিসেবে আপনি কি ব্যবহার করেন? হয়তোবা বাজারের নামী দামী কোন ব্র্যান্ডের স্ক্রাব। মিশরীয় নারীরা সামুদ্রিক লবণ এবং পানির মিশ্রণ স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতেন। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে তারুণ্য দীপ্ত ত্বক পেতে সাহায্য করে।

৫। মেথি

মিশরীয়রা বিশ্বাস করেন মেথির পেস্ট ত্বক নরম কোমল করতে সাহায্য করে। মেথির চা অথবা মেথি ভেজানো পানি পান করলে স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি পায়। মেথির অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান ত্বককে দীপ্তিময় উজ্জ্বলতা দেয়।

৬। মেহেদি

রাসায়নিক মেকআপ ব্যবহারের পরিবর্তে মিশরীয়রা প্রাকৃতিক উপাদানের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিলেন। নখ, চুল রাঙাতে তারা মেহেদি এবং জাফরান ব্যবহার করতেন। বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন মেহেদি নখ কন্ডিশন করে নরম কোমল করে থাকে। শুধু কি তাই নখ বৃদ্ধি করতেও মেহেদির জুড়ি নেই। আইশ্যাডো হিসেবে জাফরান ব্যবহার করা হয় সেই সময়।

৭। বাদাম তেল

ত্বকের বলিরেখা দূর করে তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের জন্য মিশরীয়রা ত্বকে বাদাম তেল ম্যাসাজ করে থাকেন। পুষ্টিবিদদের মতে নিয়মিত বাদাম তেল ম্যাসাজ ত্বকের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে বলিরেখা রোধ করে।






মন্তব্য চালু নেই