মেইন ম্যেনু

মিশরে হস্তাক্ষরের বিশ্বের বৃহত্তম কুরআন

স্কুলই শেষ করতে না পারা একজন মিশরীয় তিন বছরের প্রচেষ্টায় পবিত্র কুরানের এমন একটি সংস্করণ প্রস্তুত করেছেন, মনে করা হচ্ছে এটি বিশ্বের বৃহত্তম কুরআন।

কুরআন, মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। শেষনবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) উপর এটি অবতীর্ণ হয়। প্রায় পঞ্চাশোর্ধ্ব সাদ মুহাম্মদের নিজ হাতে প্রস্তুত করা এ কুরআনটি খুব গোছানোভাবে সজ্জিত। নিজ হাতেই তিনি এর প্রতিটি পৃষ্ঠা অলংকরণ করেছেন। গুটানো অবস্থায় এটি ৭০০ মিটার লম্বা (২২৯৬ ফুট), উচ্চতার দিকে ৩৮১ মিটার। তার মানে এটি উচ্চতায় এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং’র প্রায় দ্বিগুণ লম্বা। উল্লেখ্য যে, এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং পৃথিবী তথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গগনচুম্বী অট্টালিকা বা সুউচ্চ ভবন।

উত্তর কায়রোর বেলকিনা শহরে বসবাসকারী সাদ মোহাম্মদ বিশ্বাস করেন যে, স্ক্রোলটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত হতে অধিকতর যোগ্যতর, এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে বড় হস্তাক্ষরের কুরআন। কিন্তু রেকর্ড বুকে নিজের এই কর্ম অন্তর্ভুক্ত করার স্বপ্ন পূরণে তার কিছু আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

রয়টার্স টিভিকে তিনি জানান, “এই কুরআন ৭০০ মিটার লম্বা, এবং বিপুল সংখ্যক কাগজ লেগেছে এটি প্রস্তুত করতে”।তিনি আরো বলেন, “একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার কাছে সম্পদ বলতে তেমন কিছুই নেই তারপরেও আমি গত তিন বছর ধরে এই উদ্যোগটি স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত করেছি”

উল্লেখ্য যে, এর আগে ২০১৪ সালে আফগানিস্তানে হস্তলিখিত বৃহৎ কুরআনের আরেকটি সংস্করণ উন্মোচন করা হয়। এটি উচ্চতায় ২.২ মিটার এবং ১.৫৫ মিটার প্রশস্ত, ২১৮ পৃষ্ঠার সুন্দর হস্তলিপিতে লিখিত এ কুরআনটির প্রচ্ছদে ও আবৃত করতে ২১ টি ছাগলের চামড়া ব্যবহার করা হয়। ৫০০ কিলোগ্রামের পবিত্র গ্রন্থটি তৈরির জন্য পাঁচ বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু গিনিস বুক অব রেকর্ডসে আনুষ্ঠানিকভাবে এটির কোন অন্তর্ভুক্তি নেই। সূত্র: বিবিসি






মন্তব্য চালু নেই