মেইন ম্যেনু

মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে টেকনাফে আসছে স্বর্ণ

মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে টেকনাফে আসছে স্বর্ণ। টেকনাফও দেশের এক শ্রেণীর স্বর্ণ চোরা চালানকারী সিন্ডিকেট বিমান বন্দর বাদ দিয়ে স্থল ও নৌ পথ দিয়ে মিয়ানমার থেকে স্বর্ণ নিয়ে আসছে বাংলাদেশে। গত ২৬ আগষ্ট টেকনাফ ৪২ বিজিবি ১৫ টি স্বর্ণের বার আটক করেছে। এর আগেও স্বল্প সংখ্যক স্বর্ণের চালান বিজিবি আটক করেছিলেন।

সূত্রে জানায়, টেকনাফ উখিয়া ও পার্বত্য অঞ্চল দিয়ে বড় বড় স্বর্ণের চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। চোরা চালানী সিন্ডিকেট সীমান্ত রক্ষী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ফাকিঁ দিয়ে এ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। টেকনাফ ও উখিয়ার এক শ্রেণীর রাখাইন স্বর্ণকার। এরা স্বর্ণ চালানের মূল হোতা বলে স্থানীয় লোকজন জানায়। ইদানিং টেকনাফ উপজেলা ও পৌর এলাকা নতুন নতুন স্বর্ণের দোকান গড়ে উঠেছে। অথচ যে পরিমাণ দোকান গড়ে উঠেছে সে পরিমাণ কাজ টেকনাফে নেই।

কেন এত দোকান বৃদ্ধি পাচ্ছে, অনুসন্ধানে দেখা যায়, এদের মূল ব্যবসা হচ্ছে স্বর্ণের চোরা চালান। মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে স্বর্ণ এনে তাদের দোকানে জমা করে দেশের অভ্যান্তরে চালান দেওয়া। এ সমস্ত দোকান পরিদর্শন করে দেখা যায়, স্বর্ণের দোকান খোলার আগেই যে সমস্ত কাগজ পত্রের প্রয়োজন কিন্তু সে সমস্ত কাগজ পত্র রাখাইন সম্প্রদায়ের স্বর্ণের দোকানে নেই। শুধু মাত্র কয়েকটি দোকানে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আর কিছুই নেই।

অথচ একটি স্বর্ণের দোকান করতে হলে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নিবার্হী অফিসারের অনুমতি, পুলিশের সার্টিফিকেট, ভ্যাট ও আয়কর সার্টিফিকেট প্রয়োজন। তাদের সাথে বাংলাদেশ জুয়েলারী সমিতির কোন সর্ম্পকও নেই। নেই স্বর্ণ বিক্রির চলমান বাজার দরের তালিকা। নিজেদের ইচ্ছা মাফিক তৈরী, ইচ্ছা মাফিক বিক্রয় ইত্যাদি করে যাচ্ছে। নিত্য নতুন প্রতিদিন দোকান তৈরী হলেও এর কোন নেই কাগজ পত্র। নেই কর্মচারীদের বায়োডাটা, নেই প্রশাসনের কাছে জবাব দেহিতা।

পরিদর্শনে আরও দেখা যায়, দোকানের সাথে তাদের বসতঘর। গোপনীয় যা কাজ কারবার হয় বাড়ির ভিতরে বসে। এ রাখাইন স্বর্ণকারের অনেক কর্মচারী বাংলাভাষা বুঝেনা। তারা অনেকেই মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছে। এদের কোন বৈধ কাগজ পত্র নেই। কয়েকদিন পরে চলে যায়। এমনকি প্রতিদিন নিত্য নতুন লোকজনদের আনাগোনা। এ স্বর্ণের দোকান গুলো সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ হয়ে যায়। অথচ হিন্দু সম্প্রদায়ের স্বর্ণের দোকান গুলো রাত ১০টা পর্যন্ত চালু থাকে।

এ বিষয় নিয়ে সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন ঘোর পাকখাচ্ছে। অপরদিকে রাখাইন সম্প্রদায়ের স্বর্ণের দোকান প্রকাশ্যে মার্কেটে করেনা। সবসময় আড়ালে অবডালে তৈরী করে বসে। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ সমস্ত রাখাইন সম্প্রদায়ের স্বর্ণের দোকান গুলো অভিযান চালালে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে তাদের ধারনা।






মন্তব্য চালু নেই