মেইন ম্যেনু

মুখের দূর্গন্ধ নিয়ে জানুন অবাক করা কিছু তথ্য!

মুখের দূর্গন্ধ নিয়ে অনেক সময়েই বেশ লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়ে যাই আমরা। বিশেষ করে এই রমজানে তো প্রায় সবার সাথেই হয়ে থাকে এটা। তবে কেবল রমজান নয়, সারা বছর ধরেই এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কিনা সময়মতন দাঁত ব্রাশ করে মাউথওয়াশ ব্যবহার করলেও মুখের দূর্গন্ধ তাদের পিছু ছাড়েনা। এই দূর্গন্ধকে নিয়ে তাই বিজ্ঞানীদেরও চিন্তার অন্ত নেই। আর এই চিন্তা আর চিন্তাপ্রসূত গবেষণার মাধ্যমেই সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন মুখের দূর্গন্ধ সংক্রান্ত অদ্ভূত আর অবাক করে দেওয়ার মতন তথ্য। চলুন শুনে আসি সেগুলোকে।

১. সকালের নাশতা না করা তৈরি করে দূর্গন্ধ

সকালের নাশতাকে প্রতিটি মানুষের জন্যেই দিনের সবচাইতে গুরুত্বপূ্র্ন খাবার বলে মনে করা হয়। তবে কেবল শরীরের সুস্থতার জন্যেই নয়, আপনি জেনে অবাক হবেন যে, সকালের নাশতার ভূমিকা রয়েছে মুখের দূর্গন্ধের পেছনেও। গবেষকদের মতে, সকালে নাশতা না করলে মুখের স্যালিভা গ্ল্যান্ড কর্মক্ষম হয়না। ফলে ব্রাশ করার পরেও মুখ হয়ে থাকে শুষ্ক। আর এই শুষ্ক মুখ তৈরি করে দূর্গন্ধ।

২. কফি ও চুইংগাম তৈরি করে দূর্গন্ধ

কফি আপনার বেশ পছন্দের একটি পানীয় হলেও এটি আপনার মুখকে করে তোলে শুষ্ক আর জন্ম দেয় দূর্গন্ধের। তবে কফি মুখের দূর্গন্ধ তৈরি করলেও চুইংগাম তো মুখের দূর্গন্ধ তাড়াতেই ব্যবহার করা হয়। তাহলে এটা কেন রয়েছে মুখের দূর্গন্ধ বাড়িয়ে দেওয়ার তালিকায়? এই তো ভাবছেন? আসলে চুইংগাম ভেতরে থাকে জিলিটল নামের একটি উপাদান, যেটা কিনা আপনার মুখের দূর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। তবে সম্প্রতি পাওয়া গিয়েছে যে, এই জিলিটল কেবল তখনই কাজ করে যখন কিনা চুইংগামটি হয় চিনিবিহীন। অন্যথায় এটি আমাদের মুখে আরো বেশি দূর্গন্ধের উদ্রেক করে।

৩. খাদ্যাভ্যাসের সাথে মুখের দূর্গন্ধ জড়িত

খাদ্যাভ্যাস আর মুখের দূর্গন্ধ বেশ ভালোভাবে জড়িত। আপনার খাদ্যতালিকায় যদি সব্জি ও ফলমূলের পরিমাণ কম থাকে তাহলে সেটি হতে পারে আপনার মুখের দূর্গন্ধের কারণ। এছাড়াও অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহন আর অ্যালকোহল পানও বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার মুখের দূর্গন্ধকে।

৪. যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন তৈরি করে মুখের দূর্গন্ধ

কি হল? অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন তাহলে কি আজ থেকে মেডিটেশন করা বন্ধ হয়ে যাবে? একদমই না! কেবল মুখের দূর্গন্ধের জন্যে মেডিটেশন করা বন্ধ করবে না আপনি। তবে চেষ্টা করুন এ ব্যাপারে চিকিৎসকের সাথে কথা বলার ও চিনিবিহীন জিলাটিলসহ চুইংগাম চিবানোর।

৫. হাঁ করে ঘুমানোর অভ্যাস মুখের দূর্গন্ধকে বাড়িয়ে তোলে

অনেকের ঠান্ডার সমস্যা তাকে মুখ হাঁ করে ঘুমাতে বাধ্য করে। তবে কেউ কেউ আছেন যাদের সবসময়কার অভ্যাস মুখ খোলা রেখে ঘুমানো। আর তাদের এই অভ্যাসই মুখের দূর্গন্ধ বাড়িয়ে তোলার ক্ষেত্রে কাজ করে বহুগুণ। কারণ এক্ষেত্রে দীর্ঘসময় বাতাসের সংস্পর্শে এসে মুখ শুষ্ক হয়ে যায় আর বাজে দূর্গন্ধ তৈরি করে।






মন্তব্য চালু নেই