মেইন ম্যেনু

মুস্তাফিজ বিশ্বের সেরা পেসার, বললেন সাকিব

এতদিন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটে একাই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন সাকিব আল হাসান। এবার তার সঙ্গী হয়েছেন বাংলাদেশের ‘পেস বিস্ময়’ মুস্তাফিজুর রহমান। ক্যারিয়ারের প্রথম আইপিএলেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে চলেছেন মুস্তাফিজ। সাবেক ও বর্তমানের বিশ্বসেরা ক্রিকেটারদের ভূয়সী প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। স্বদেশী মুস্তাফিজের পারফরম্যান্সে সাকিব নিজেও মুগ্ধ। তাই তো মুস্তাফিজকে বর্তমানে সীমিত ফরম্যাটের ক্রিকেটে বিশ্বসেরা পেসারের আসনে বসিয়ে দিয়েছেন সাকিব। বাংলাদেশের এই বিশ্বখ্যাত অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘মুস্তাফিজ অসম্ভব প্রতিভাবান। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ও এখন বিশ্বের সেরা পেসার।’

ভারতের টি২০ ক্রিকেটের আসর আইপিএলে এবারও যথারীতি কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন সাকিব। অন্যদিকে, মুস্তাফিজ খেলছেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে। আসরে এখন অব্দি সাকিব সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও মুস্তাফিজ বল হাতে চমক দেখিয়ে চলেছেন ক্রমাগতই। ‘কাটার মাস্টার’ খেতাব পাওয়া মুস্তাফিজের এই সাফল্যে বাংলাদেশি হিসেবে সাকিব নিজেও গর্বিত। ভারতীয় মিডিয়াকর্মীদের কাছে তাই মুস্তাফিজের ভূয়সী প্রশংসাই করেছেন সাকিব।

কেবল মুস্তাফিজ প্রসঙ্গে নয়; সাকিব কথা বলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়েও। তার মতে, ‘সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ বর্তমানে খুব ভালো খেলছে। তবে টেস্ট ক্রিকেটে আরও ভালো খেলতে হবে। টেস্টে জিততে হবে। তবেই সকলের কাছে সন্মান পাওয়া যাবে।’

আইপিএলে নিজ দল কেকেআর প্রসঙ্গেও সাকিব কথা বলেছেন। এবারের আসরে বেশ কিছু ম্যাচে তাকে একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নেমেছিল কেকেআর। এই বিষয়ে সাকিব বলেছেন, ‘কেউই চায় না একাদশের বাইরে থাকতে। আমিও চাই না। সব ম্যাচে খেলতে চাই। দলের হয়ে অবদান রাখতে চাই। তবে দলে ১০ জন বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছে। তাদের মধ্যে মাত্র ৪ জন প্রথম একাদশে সুযোগ পাবে। সেক্ষেত্রে কাউকে না কাউকে বসতেই হবে। কিছু ক্ষেত্রে টিম কম্বিনেশনের স্বার্থে ও উইকেটের চরিত্র বুঝে বিছু জিনিস তো বদলাতেই হবে।’

এবারের আসরে ব্যাটে-বলে সেভাবে তেমন সাফল্য পাচ্ছেন না সাকিব। যিনি গত আসরগুলোতে ছিলেন কেকেআরের সাফল্যের অন্যতম কারিগর। তার মতোই এবার জ্বলে উঠতে পারছে না দলটির মূল বোলার ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার সুনিল নারিন। এই বিষয়ে সাকিবের অভিমত, ‘তার মতো ক্রিকেটার প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে না পারলে স্বাভাবিকভাবেই তা দলের জন্য বড় ধাক্কা। ডেথ ওভারে আমাদের দলে নারিনের বল করা একরকম নিশ্চিতই থাকতো। এবার তেমনটা ঘটছে না। শেষ ৫-৬ ওভারেই আমরা বেশিরভাগ ম্যাচ হেরে যাচ্ছি। এটা অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয়। গত আসরগুলোর মতো এবার নারিন সাফল্য পাচ্ছে না। নতুন কাউকে সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’

সূত্র : এবেলা






মন্তব্য চালু নেই