মেইন ম্যেনু

মৃতদের বিয়ে, মরেও শান্তি নেই!

অবশেষে পাত্রী পাওয়া গেল অবিবাহিত চেং-‌এর। এমনি এমনি নয়। তার জন্য মা-‌বাবার পকেট থেকে খসাতে হয়েছে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ইউয়ান (‌২৭০০০ মার্কিন ডলার)‌‌। কারণ?‌ পাত্রীর সংখ্যা কম। হাজার হোক, মেয়ে ভূত তো আর চাইলেই পাওয়া যায় না!‌ পয়সা থাকলে ভূতের বাপেরও শ্রাদ্ধ হয়।

কিন্তু তাই বলে ভূতের বিয়ে!‌ না, এটি কোনও আঞ্চলিক প্রবাদ নয়। নিহতদের বিয়ে দেওয়া চীনে শাংসি প্রদেশের প্রচলিত রীতি। কম করেও প্রায় হাজার বছর ধরে চলে আসছে এই রেওয়াজ। বলা হয়, অবিবাহিত কোনও যুবক মারা গেলে তার আত্মা শান্তি পায় না। এর একমাত্র সমাধান— বিয়ে। আর বিয়ের জন্য চাই মেয়ের মৃতদেহ। কিন্তু খনিধস এবং পথদুর্ঘটনায় চিনে যত পুরুষের মৃত্যু হয়, মহিলা মৃত্যুর হার তার চেয়ে কম।

ফলে পাত্রীর আকাল এখন শাংসি প্রদেশের সবথেকে বড় সমস্যা। পাত্রী পেতে নিহত মেয়ের পরিবারকে দেওয়া হয় মোটা পণ। তাতেও পাওয়া যাচ্ছে না দেহ। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যে মেয়েদের মৃতদেহ রীতিমতো কবর খুঁড়ে তুলে নিয়ে পালাচ্ছে চোরাকারবারিরা। তারপর সেই পচাগলা দেহ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

তিন বছর আগে মৃত চেং-‌এর কপালে অবশ্য জুটেছে তাজা দেহ। সদ্যই মারা গিয়েছে পাত্রী। পরিস্থিতি বিচার করলে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ইউয়ান পাত্রীর দাম হিসেবে বেশ কমই। কারণ, মেয়ের বিয়ে নিয়ে একটু তাড়ায় ছিলেন মেয়ের পরিবারও। পাত্রের পরিবারকে অল্পের মধ্যে ছেড়ে দিয়েছেন। অবিবাহিত মেয়ে। বলা তো যায় না, কবর থেকেই কে তুলে নিয়ে পালায়!‌






মন্তব্য চালু নেই