মেইন ম্যেনু

মৃত শিশুর চিকিৎসার কথা বলে টাকা আদায়

১৬ মাসের শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু টাকা আদায়ের কৌশলের কারণে হার মানলো মানবতা। মৃত শিশুটির চিকিৎসার নামে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে আসছিল ঢাকার জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল।

জিগাতলা এলাকার বহুল পরিচিত এই হাসপাতালে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই চিত্র পাওয়া যায়। এর দায় এবং আরও কিছু অনিয়মের অভিযোগে হাসপাতালের ছয় কর্মীকে সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

র‌্যাব জানায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ১৬ মাসের শিশুটি আইসিইউ রুমে মারা যায়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই শিশুটিকে জীবিত দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল।

এছাড়াও অনভিজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করা, বায়োকেমিষ্ট না থাকা, মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্টের একাডেমিক সার্টিফিকেট না থাকা। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকলেও এইচআইভি পরীক্ষার নামে টাকা নেয়া, রিএজেন্ট সংরক্ষণ করার জন্য ফ্রিজে নিদিষ্ট পরিমাণ তাপমাত্রা না থাকা, সিড়ি ঘরকে ল্যাব হিসাবে ব্যবহার করা, ল্যাব টেকনিশিয়ান না থাকার মতো অনিয়ম দেখা যায় হাসপাতালটিতে।

হাসপাতালে রোগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত নি¤œমানের উপকরণ ব্যবহার করা, অননুমোদিত ওষুধ বিক্রির প্রমাণ মেলে অভিযানে।

এসব অভিযোগে হাসপাতালের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, কাওসার, লিজা ও চিকিৎসক শরিফুজ্জামানকে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। আর মনতেশ ম-ল নামে একজনকে জরিমানা করা হয় তিন লাখ টাকা। আর সুমন ম-লকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান এবং ড্রাগ অধিদপ্তরের ড্রাগ সুপার অজিউল্লাহ।






মন্তব্য চালু নেই