মেইন ম্যেনু

মেকানিক থেকে কোটিপতি, অসম্ভবকে সম্ভব করলেন এই ব্যক্তি

ছিল রুমাল, হয়ে গেল বেড়াল-এর ম্যাজিক নয়, কেরালার তুলোক্ষেত থেকে শারজা-র বুর্জ খলিফায় ২২টি রুম-এর মালিকানা পেতে প্রভূত পরিমাণে কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছে জর্জ ভি নেরেপারাম্বিল নামের ভারতীয় ব্যক্তিটিকে।

কখনও তুলোক্ষেতের কর্মী, কখনও বা রাস্তার বর্জ্য থেকে পয়সা ইনকাম, কখনও আবার অটোমোবাইল মেকানিক— এমনই বিচিত্র যাত্রাপথ জর্জের। শেষ পর্যন্ত সম্মিলিত আরব আমিরশাহীর উজ্জ্বলন্ত গরমে কুলিং সলিউশন-এর ব্যবসা করে বিশ্বার উচ্চতম টাওয়ার বুর্জ খলিফা-য় ২২টি রুমের মালিকানা লাভ।

এই কেরল-সন্তান জীবনের বিস্তর চোরাগলি পেরিয়ে ১৯৭৭ সালে শারজা পৌঁছন। সেখানকার বিপুল গরমকে দেখেই সম্ভবত তাঁর মাথায় এসেছিল ঠান্ডা-মেশিনের ব্যবসার কথা। তার পরে দীর্ঘ স্ট্রাগল । প্রথমে জর্জ বুর্জ খলিফা-য় ভাড়াটে হিসেবে প্রবেশ করেন তার পরে একদিন সেখানেই থিতু হন।

জর্জ জানিয়েছেন, এক বন্ধু নাকি একদিন তাঁকে বলেছিল, তিনি কখনওই বুর্জ খলিফা-য় প্রবেশ করতে পারবেন না। সে ইচ্যালেঞ্জেরই জবাব তিনি দিয়েছেন। প্রতি বছর ভারতীয় মুদ্রায় ৫.৫ কোটি টাকা জর্জ খরচ করেন বুর্জ খলিফা-র সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণে।

জর্জের সংস্থা জিও গ্রুপ অফ কোম্পানিজ আজ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহৎ সংস্থা। নিজের সাফল্যে খুশি জর্জ। তবে দেশ কে ভোলেননি তিনি। কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। -এবেলা






মন্তব্য চালু নেই