মেইন ম্যেনু

মেদহীন পেশিবহুল শরীর গঠন অন্তরায় যে খাবার

মেদহীন পেশিবহুল শরীর সব পুরুষের পছন্দ। এজন্য অনেকে নিয়মিত শরীরচর্চা ও খাবারের চাহিদা কমিয়ে দেন। অথচ খাবারের চাহিদা কমিয়ে আনলেই পেশিবহুল শরীর গঠন হবে তা কিন্তু নয়। বরং খাবারের তালিকা পরিবর্তনেই মেদহীন পেশিবহুল শরীর পাওয়া সম্ভব।

শরীরে পেশি গড়তে গেলে প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে সঠিক ডায়েট মেনে চলা। তবে ডায়েটের অর্থ না খেয়ে থাকা নয়। বরং কী খাবেন বা কী খাবেন না সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা এবং তা মেনে চলা। কিছু খাবার আছে যা পেশির বৃদ্ধিতে বাধা তৈরি করে। আপনি যদি এই খাবার গুলিকে এড়িয়ে চলতে পারেন তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে চাহিদামতো পেশি পাওয়া সম্ভব। অনেকে পেশি তৈরির জন্য প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাউডার খান। এতেও রয়েছে পাশ্বপ্রতিক্রিয়া। তাই খাবার সম্পর্কে জেনে বুঝে তবেই অভ্যাস গড়তে হবে। তাই দেখে নিন কোন খাবারগুলো পেশিবহুল শরীর গঠন অন্তরায়-

-মাখন একটি দুগ্ধজাত দ্রব্য। অনেকেরই নাস্তার সঙ্গে মাখন খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। যা হাড়ের জন্য প্রয়োজন। তবে মাখনে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকর ফ্যাটও থাকে। যার ফলে শরীরে মেদ জমে এবং পেশি গঠনে বাধা তৈরি করে।

-আইসক্রিমের লোভ আছে ছোট-বড়, মাঝ বয়সি সকলের। কিন্তু এ আইসক্রিমে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে। তাই আইসক্রিমের লোভ ছাড়তে হবে নিজের শরীরকে মেদমুক্ত করতে।

-নিয়মিত অ্যালকোহল সেবন শরীরকে ক্লান্ত করে। এর ফলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, যা পেশিবহুল শরীর গঠনে বাধা দেয়। তাই এড়িয়ে চলুন অ্যালকোহল।

-তেষ্টা পেলে সোডা খেয়ে তৃষ্ণা নিবারণ মোটেই স্বাস্থ্যকর বিকল্প নয়। সোডাতে ক্যাফেইন থাকে। বেশি পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে শরীরে হাড়ের শক্তিতে প্রভাব পড়ে। যার ফলে পেশি গঠনে বাধা তৈরি করে।

-আমরা প্রায় দুপুরের খাবারের বদলে পিৎজা খেয়ে থাকি। পিৎজা জাতীয় ফাস্ট ফুড শরীরের জন্য মোটেই উপযুক্ত নয়। বিশেষ করে মেয়োনিজ দেয়া পিৎজা শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয় অনেক বেশি।

-ডোনাট খেতে সুস্বাদু খেতে হলেও এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে চিনির পরিমাণও প্রচুর পরিমাণে থাকে। ফলে এতে ক্যালরি অনেক বেশি থাকে। এই ডোনাটও পেশি তৈরির ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই সুস্থ থাকতে এড়িয়ে যেতে হবে ক্ষতিকর খাবারগুলো।






মন্তব্য চালু নেই