মেইন ম্যেনু

মেসি-জাদুতে বার্সার মধুর প্রতিশোধ

সেই একই স্কোরলাইন। তবে পার্থক্য একটা আছে। আগের বার বার্সেলোনা ছিল পরাজিত দলে, আর এবার জয়ী।

গত অক্টোবরে সেভিয়ার মাঠে ২-১ গোলে হেরে গিয়েছিল বার্সেলোনা। রোববার রাতে সেই সেভিয়াকে নিজেদের মাঠে একই ব্যবধানে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধই নিল লুইস এনরিকের দল। সেই সঙ্গে লা লিগায় নিজেদের শীর্ষস্থানটা করল আরো মজবুত।

অক্টোবরে সেভিয়ার মাঠে ওই হারের পর থেকে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় আর একটি ম্যাচও হারেনি বার্সা। এবার সেভিয়াকে হারিয়ে কাতালানরা নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ড নিয়ে গেল ৩৪ ম্যাচে।

ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচটা অবশ্য হতাশা দিয়েই শুরু হয়েছিল বার্সেলোনার। ১৩তম মিনিটে পাঁচ সেকেন্ডের ব্যবধানে বল দুবার পোস্টে লাগলে গোলবঞ্চিত হতে হয় স্বাগতিকদের।

প্রথমে লিওনেল মেসির কর্নার সেভিয়া গোলরক্ষক কোনোমতে হাতে লাগান, যা ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে লুইস সুয়ারেজের জোরালো শটও পোস্টে বাধা পায়।

সাত মিনিট পর ন্যু ক্যাম্পের প্রায় ৮০ হাজার দর্শককে আরো হতাশায় ডোবান সেভিয়ার ভিতোলো। তিনি গোল করে অতিথিদের এগিয়ে দেন ১-০ গোলে।

এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ উপভোগ করতে পারেনি অতিথিরা। ৩১ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে গোল করে বার্সাকে সমতায় (১-১) ফেরান দলের সেরা তারকা মেসি। বক্সের সামনে থেকে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের বাঁ পায়ের বাঁকানো ফ্রি-কিক বুঝতেই পারেননি সেভিয়ার গোলরক্ষক, বল খুঁজে নেয় জাল।

বিরতির পর শুরুতেই মেসি-সুয়ারেজের চমৎকার বোঝাপড়ায় ২-১ এগিয়ে যায় বার্সা। বক্সের ভেতর বাঁ দিক থেকে দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে বল বাড়ান মেসি। বল পেয়ে যান সুয়ারেজ। তার বাড়ানো বলে পায়ের আলতো টোকায় বল জালে পাঠাতে কোনো ভুল করেননি জেরার্ড পিকে।

এরপর ব্যবধান বাড়াতে আরো বেশ কিছু আক্রমণ করেছিল বার্সা। সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল সেভিয়াও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউই আর কোনো গোল পায়নি।

এই জয়ে ২৬ ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়াল ৬৬। সমান ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। আগের দিন মাদ্রিদ ডার্বিতে অ্যাটলেটিকোর কাছে হারা রিয়াল মাদ্রিদ ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে।






মন্তব্য চালু নেই