মেইন ম্যেনু

মেয়েটি জানাল, ‘তার বাবা তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করে’

না, একদিন ছুটি চেয়ে সে চিঠি লেখেনি শিক্ষিকাকে। তার একটাই আবেদন, সুস্থ ভাবে বাঁচতে চায়। তাই স্কুলের ম্যাডাম-এর সাহায্য চেয়েছে। আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বয়স তো হয়নি। মাত্র ১৩। বছর তেরোর মেয়েটি শিক্ষিকার কাছে চিঠি লিখে জানাল, তার বাবা তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করে। আর মা, বাবার ওই নৃসংশতাকে প্রশ্রয় দেয়। নভি মুম্বইয়ের একটি স্কুলের ঘটনা। খবর এই সময়।

পুলিশ সূত্রের খবর, সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ওই মেয়েটি গত সপ্তাহে ক্লাস চলাকালীন শিক্ষিকার হাতে একটি চিঠি দিয়ে জানায়, এখন চিঠিটা পড়বেন না। পরে পড়বেন। শিক্ষিকা মেয়েটির অনুরোধ মতো পরেই খোলে চিঠিটি। মেয়েটির বয়ান পড়ে শিউরে ওঠেন শিক্ষিকা। চিঠিতে বছর তেরোর মেয়েটি লিখেছে, ‘আমার বাবা আমাকে রোজ ধর্ষণ করে। মা, বাবাকে সাহায্য করে।’

এক মুহূর্তও দেরি না-করে ওই শিক্ষিকা স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে ঘটনার কথা জানান। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগেই সোমবার মেয়েটির মা-বাবার বিরুদ্ধে থানায় FIR দায়ের করা হয়। শিক্ষিকাকে মেয়েটি চিঠিতে লিখেছে ‘আমার বাবা ফল বিক্রেতা। ৪৫ বছর বয়স। যখন আমার বয়স ৭ ছিল, তখন থেকেই আমাকে ধর্ষণ করে বাবা। মা-ই বাবাকে সাহায্য করে আমাকে ধর্ষণ করতে। বাবা ধর্ষণ করার পর মা কয়েকটি ট্যাবলেট খাইয়ে দেয় জোর করে। ওষুধটার নাম আমি জানি না। আমার এক দিদি ও দাদা আছে। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। দাদা যখন বাড়িতে থাকে না, তখনই আমায় ধর্ষণ করে বাবা। মা জোর করে আমায় বাবার সঙ্গে একটি ঘরে ঢুকিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়। আমি মা-কে অনেকবার অভিযোগ করেছি। মা আমার কথা শোনেনি। প্লিজ, আমায় বাঁচান। আমি আর পারছি না।’

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির কাউন্সেলিং চলছে। মানসিক ভাবে খুব ভেঙে পড়েছে। মা-বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানে আদালত দু’জনকেই ২৩ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে। শিশুটির মায়ের দাবি, সে নাকি মেয়েকে ধর্ষণ করার ঘটনাটি ১৫ দিন আগে জেনেছে। তারপর থেকে স্বামীকে মেয়ের কাছ থেকে দূরে রাখে।






মন্তব্য চালু নেই