মেইন ম্যেনু

মেয়েদের যে ক’টি কাজ করতে নিষেধ করে হিন্দু পুরাণ

হিন্দু পরম্পরায় মেয়েদের উপরে ঠিক কতটা বাধানিষেধ আরোপিত রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করতে বসলে বিড়ম্বনা বাড়ে। কারণ, হিন্দু ধর্মের কোনও একটা মাত্র বিশেষ কোড নেই, যার উপরে ভিত্তি করে সামাজিক কাজের গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে।

হিন্দু পরম্পরায় মেয়েদের উপরে ঠিক কতটা বাধানিষেধ আরোপিত রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করতে বসলে বিড়ম্বনা বাড়ে। কারণ, হিন্দু ধর্মের কোনও একটা মাত্র বিশেষ কোড নেই, যার উপরে ভিত্তি করে সামাজিক কাজের গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে।

বেদ ও বৈদিক শাস্ত্র যদি এক রকম নির্দেশ দিয়ে থাকে, বৈদান্তিক ধর্মে পালনীয় আচারাদি তার থেকে একেবারেই পৃথক। আবার পুরাণ একেবারেই ভিন্ন কিছু নির্দেশ প্রদান করে। এখানে ‘গরুড় পুরাণ’ থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞাকে তুলে আনা হল, যেগুলি

মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে জানানো হয়েছে। তবে তার আগে ‘গরুড় পুরাণ’ এ কথাও জানিয়েছে, নারীকে মুক্ত রাখাটা সমাজিক কর্তব্য। তাদের অসম্মান প্রদর্শন একাবারেই অনুচিত বলে জানিয়েছে ‘গরুড় পুরাণ’। কিন্তু তার পরেই উল্লিখিতে হয়েছে নিষেধাজ্ঞাগুলি।

• ময়েদের সব সময়ে স্বামীর পক্ষ অবলম্বন করা উচিত।
• স্বামীর সঙ্গ ছেড়ে বেশি দিন বাইরে থাকা অনুচিত।
• মেয়েদের যত্ন নেওয়াটা পুরুষের একান্ত কর্তব্য।
• ‘গরুড় পূরাণে’ মহিলাদের পক্ষ থেকে লম্পট পুরুষকে কঠোরভাবে এড়িয়ে যেতে বলা হয়েছে।

প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্রের যে ১০টি ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে
হিন্দু মহিলারা কেন সিঁদুর পরেন?

• কোনও অর্থে নারীরা যেন তাঁদের সম্মান সম্পর্কে অসচেতন হয়ে না পড়েন।
• নারী ঘৃণার বস্তু নয়। এটা মনে রাখা উচিত নারীদেরই। তেমন কোনও কাজ তাঁদের করা উচিত নয়, যা ঘৃণার উদ্রেক করতে পারে।
• নারী এমন কোনও স্থানে অবস্থান করবেন, যেখানে তাঁর নিকটজনরাই বিদ্যমান। অর্থাৎ বাবা, স্বামী অথবা ভাইয়ের সঙ্গে তাঁকে থাকতেই হবে।
• যদি নারী এই নীতিগুলি অমান্য করেন, তবে তাঁকে এমন কিছু কারণে দোষী সাব্যস্ত করা হবে, যে কাজগুলি তিনি করেনইনি।






মন্তব্য চালু নেই