মেইন ম্যেনু

মেয়ের প্রেমিকের সঙ্গে মায়ের শারীরিক সম্পর্ক!

কত খবরই তো হয় দিনভর। কিন্তু এমন খবরও নজরে পড়ে! যে খবরে টলে যায় মানবজমিনে শিকড় গেড়ে বসে থাকা যাবতীয় সম্পর্কের ভিত…। -এবেলা

২২ বছর বয়সেই চেলসি হুপারের জীবনে প্রবল ঝড়। এই ঝড় তাঁকে রক্তাক্ত করেছে। শরীরে, মনে। ক্ষতবিক্ষত চেলসি এখন উদভ্রান্ত। কী করে তিনি বিশ্বাস করবেন প্রবঞ্চনার এই ধারাবাহিকতাকে?

কেভিন স্কট নামে এক যুবকের সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে সম্পর্কে ছিলেন চেলসি। শরীরী খেলায় দু’জনে হারিয়ে যেতেন একে অপরের মধ্যে। প্রায় রোজ। কিন্তু এমন সম্পর্কও ভেঙে খান খান হয়। তা-ও এভাবে?

চেলসিকে মেরে রক্তাক্ত করে দিয়েছিলেন কেভিন। সেই ছবি দেখলে যে কেউ শিউরে উঠবেন।

এর পরে চেলসি গিয়েছিলেন তাঁর মা, জ্যাকলিন ওয়াটসনের কাছে। মায়ের বুকে মুখ গুঁজে কেঁদেছিলেন দিনভর। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন মা।

কিন্তু তার পরে যা ঘটেছে, তা চেলসিকে দুমড়ে-মুচড়ে শেষ করে দিয়েছে। চেলসি বলছেন, ‘‘মা কেভিনের বিছানায় ঝাঁপিয়ে পড়ত! আমার আর বাবার নাকের ডগায় ও কেভিনের সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছিল। এর থেকে বড় প্রতারণা আর কী হতে পারে?’’

প্রতারক মায়ের কীর্তি শুনবেন? চেলসি বলছেন, ‘‘আমাকে মারধর করার পরেও মা বোঝাত, আমার কেভিনকে ছেড়ে চলে আসা উচিত নয়। কেভিনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কথা বলত মা।’’ কিন্তু এর পরেই ক্রমশ মায়ের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ করেন চেলসি। বলেছেন, ‘‘মা আচমকা কেমন পাল্টে যেতে শুরু করল। যখন-তখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করল। শর্ট স্কার্ট পরত। দেখে মনে হত, কোনও দেহব্যবসায়ী বেরোচ্ছে। বাবা বা আমি প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যেত।’’

চেলসির প্রেমকাহিনির পরতে পরতে রয়েছে নাটকীয়তা। বলছেন, ‘‘আমাকে দু’-একজন বলেছিলেন, কেভিন আমাকে ঠকাচ্ছে। আমি ওর মোবাইলে অন্য মহিলার মেসেজ পেয়েছিলাম। কিন্তু ও সরাসরি অস্বীকার করত।’’

এর পরে চেলসির হাতে আসে মোক্ষম প্রমাণ। তিনি বলেছেন, ‘‘কেভিনের ফেসবুকে আমি মায়ের মেসেজ দেখে ফেলি। অত্যন্ত নোংরা সেই সব মেসেজের ভাষা। মনে পড়লেও গা গুলিয়ে ওঠে। মা লিখেছে কেভিন বিছানায় কতটা পারদর্শী। আমি আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে গিয়েছিলাম।’






মন্তব্য চালু নেই