মেইন ম্যেনু

মোটর সাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে বেরোবি ছাত্রলীগ নেতাকে মারধোর

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখার ছাত্রলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিরোজ কে মারধোর করেছে স্থানীয় কয়েক ব্যাক্তি।তবে ঐ ব্যাক্তিকে আটক করে কোতয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির এসআই।

মোটর সাইকেল রাখায় কথা কাটাকাটির জের ধরে সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ক্যাডেট কলেজ সংলগ্ন নাজমুল হুদা ম্যাচের কয়েকটি দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।আহত ছাত্রলীগ নেতাকে তৎক্ষণাৎ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

আহত ছাত্রলীগ নেতা জানান,‘আজ আমি আমার এক বন্ধুর বাইক(মোটর সাইকেল) নিয়ে ক্যাডেট কলেজ সংলগ্ন নাজমুল হুদা ম্যাচের সামনে দোকানগুলোর সামনে দাঁড়াই।এ সময় স্থানীয় জামিল, টুটুল আমার বাইক পান্সার(মোটর সাইকেলের চাকার হাওয়া বের)করে দেয়।

পরে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা আমাকে মারতে শুরু করে।সেখানে পড়ে থাকা বাঁশ দিয়ে ২০-২৫টি মার মারে আমাকে।আমার সাথে থাকা ইতিহাস বিভাগের মামুনুর রশিদ নামের এক ছোট ভাই সেও মার খায়। এ সময় তাদের সাথে ছিল স্থানীয় জামিল, টুটুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারি খোকন(প্রত্যক্ষদর্শী) সহ ৫ জন ব্যাক্তি।’

ছাত্রলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিরোজ আরো বলেন,‘আমার সাথে তাদের কোনো পূর্ব শত্রুতা নেই।এই প্রথম(খোকন বাদে)তাদের সাথে আমার দেখা হয়েছিল।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিক জানান,‘আজ সোমবার এ ঘটনা ঘটে।আতিক নামের স্থানীয় এক ব্যাক্তি (ছাত্রলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট)ফিরোজকে মারে।এ ঘটনায় আতিককে আটক করে কোতয়ালি থানায় পাঠানো হয়েছে।’

এ ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাইলে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মোস্তফা মাহমুদ বলেন,‘আমরা আইনি প্রক্রিয়া চালাব।আমরা এর শাস্তি চাই,সুষ্ঠু বিচার চাই।’ মামলার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন,ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী খোকন(বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারি এবং ক্যান্টির পরিচালনাকারি) বলেন,‘আজ দুপুরে বৃষ্টি হচ্ছিল।এ সময় আমি ‘রংপুর খবর’ এর অফিসের সামনে আটকে যাই।এ সময় ফিরোজ ভাই সেখানে বৃষ্টির কারনে থেমে যায় এবং মোটর সাইকেল রাখে। একটু পর সাংবাদিক জামিল তাঁর অফিসে আসে এবং মোটর সাইকেল না রাখতে পরায়(ফিরোজের মোটর সাইকেল রাখায় জায়গা সংকুলান না হওয়ায়) ফিরোজের মোটর সাইকেলের চাকার হাওয়া বের করে দেয়। এ সময় ফিরোজের সাথে থাকা মামুনের সাথে জামিলের কথা কাটাকাটি হয়।এক পর্যায়ে ফিরোজ আসে তার সাথেও জামিলের বাক-বিতন্ডা হয়। পরে জামিল অফিসের সাটার বন্ধ করে এবং ফিরোজকে মারধোর করে।’

তিনি বলেন,ফিরোজের সাথে আমার কোনো কথা কাটাকাটি হয়নি।আমি তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেছি। তবে এ ঘটনার জের ধরে বিকেল সাড়ে ৩ টায় কয়েকটি বিভাগের ২০-২৫ জন শিক্ষার্থী আমার ক্যান্টিনে ভাংচুড় চালায়।ক্যান্টিনের বেড়া,পানি খাওয়ার গ্লাসগুলো ভেঙে ফেলে।পরে শফিক ভাই(বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের এসআই) এসে ব্যাপারটি দেখবে বলে জানায়।’

রংপুরের খবর এর এক প্রতিনিধি জানায়,‘সেটা আমাদের অফিস না।আমরা পূর্বে ঐ অফিসে কাজ করতাম। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেই দোকানের নাম এ আর মার্কেটিং।জামিল (অভিযুক্ত)এটার মালিক।’

তবে এ ঘটনায় পুলিশ আতিক নামের এক ছেলেকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে।






মন্তব্য চালু নেই