মেইন ম্যেনু

মৌলভীবাজারে দরিদ্র শিশু-কিশোরদের মধ্যে জামা-কাপড় বিতরণ

মা-বাবার কাছ থেকে পাওয়া ঈদের টাকায় সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র শিশু-কিশোরদের জামা-কাপড় কিনে দিল কিছু স্বপ্নবাজ তরুণ। ‘ঈদের আনন্দে হাসবে ওঁরাও-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারে শতাধিক দরিদ্র ছেলেমেয়ের মধ্যে নতুন পাজামা-পাঞ্জাবি এবং সেলোয়ার কামিজ বিতরণ করে তরুণদের নিয়ে গড়ে তোলা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শেডো-ওয়ার অ্যাগেইনস্ট পোভারটি’।

১৪ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে মেয়েদের জন্য লং ড্রেস এবং ছেলেদের জন্য পাজামা-পাঞ্জাবি তুলে দেন সংগঠনের উদ্যোক্তারা। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইসমাইল বখত আনসারি রনির সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজুর রহমান, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এসএম উমেদ আলী, নাট্যকার খালেদ চৌধুরী, বিটিভির জেলা প্রতিনিধি হাসানাত কামাল।

আগামী ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চেলর দারিদ্রপীড়িত শতাধিক ছেলেমেয়েদের মধ্যে ঈদের আরো নতুন পোশাক বিতরণ করবে সংগঠনটি। সংগঠনের সদস্য মাজহারুল ইসলাম রাব্বি বলেন, ‘ঈদে মা-বাবার কাছ থেকে যে টাকা পেয়েছি, নিজে কাপড় না কিনে দরিদ্র ছেলেমেয়েদের তা দিয়ে দিয়েছি। আমরা সারা বছরই কোনো না কোনোভাবে জামকাপড় পেয়ে থাকি। প্রতি ঈদে নতুন জামাকাপড় পেয়ে থাকি। কিন্তু দারিদ্রপীড়িত এসব ছেলেমেয়েরা ঈদের নতুন জামাকাপড় থেকে বঞ্চিত থাকে। আমরা ঈদে নাইবা নতুন কাপড় পড়লাম। তাঁদের মধ্যে আমরা ঈদ আনন্দ খুঁজে নেব।

রনি বলেন শিক্ষাক্ষেত্রে কাজ করাটাই মূল উদ্দেশ্য। দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি, বইকেনা, ইউনিফর্ম ও শিক্ষা উপকরণ আমরা দিয়ে থাকি। এর বাইরেও ঈদে সুবিধাবঞ্চিত ছেলেমেয়েদের মধ্যে নতুন জামাকাপড় এবং শীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকি। এক্ষেত্রে আমরা নিজেরা পরিবার থেকে অর্থ সংগ্রহের পাশাপাশি রোড ক্যাম্পিং এবং সোস্যাল মিডিয়া ক্যাম্পিং করে থাকি। আগামীতে আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে কাজ করতে চাই।

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান মনস্ক করার জন্য বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করবো। শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্কুল কলেজে প্রোগাম করার পরিকল্পনা আছে। সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন মামনুন এ মালিক প্রিয়, ফাহমিদা শহীদ সুইটি, ফারদিন হুদয়, সৈয়দ মুফলেহ সালেকিন, আল-রাজি মাহমুদ, তাহমিদ চৌধুরী, সোহান হোসেন হেলাল, নাদিম হোসেন আসলাম, নিশান আহমেদ, রাহাত আহমেদ হিমেল, তাসনিম নিসা।






মন্তব্য চালু নেই