মেইন ম্যেনু

মৌসুমীর কোলে শাবনূরের ছেলে

দুই দশকেরও বেশী সময় ধরে ঢাকাই চলচ্চিত্রে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করছেন মৌসুমী ও শাবনূর। ১৯৯৩ সালে সালমান শাহ’র সঙ্গে জুটি হয়ে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে সিনেমার পর্দায় অভিষেক হয় মৌসুমীর।

অন্যদিকে শাবনূর সিনেমার পর্দায় প্রবেশ করেন এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। পরবর্তীতে দু’জনই নজরকাড়া গ্ল্যামার আর অভিনয়ের নান্দনিক উপস্থাপনায় জয় করে নিয়েছেন কোটি মানুষের হৃদয়। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) চিত্রনায়িকা শাবনূরের জন্মদিন।

এই দিনে মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানীর ফেসবুকে মৌসুমীর কোলে দেখা গেল শাবনূরের ছেলে আইজানকে। ওমর সানী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মৌসুমী নয়, একজন মায়ের কোলে শাবনূরের ছেলে। এই সুখের নেই কোন সীমানা।’

শাবনূর-মৌসুমীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সিনেমার বাইরেও অনেকবার দেখা গেছে। একে অপরের বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন। রূপালী পর্দার বাইরে মৌসুমী ও শাবনূর দু’জনই ভাল বন্ধু। জন্মদিনে শাবনূরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মৌসুমী।

একনজরে শাবনূর

শাবনূর ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিকভাবে তার নাম রাখা হয় নূপুর। কিন্তু সিনেমার পর্দায় তিনি শাবনূর নামেই জনপ্রিয়। প্রথম চলচ্চিত্র কিংবদন্তি পরিচালক এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর ‘চাঁদনী রাতে’ মুক্তি পায়। সাব্বিরের বিপরীতে অভিনীত চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়।

পরবর্তীতে সালমান শাহ’র সঙ্গে জুটি বেঁধে সফলতা পান। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সালমান শাহ-শাবনূর জুটির জনপ্রিয়তা এখনো সমানতালে বহমান। সালমান শাহ’র মৃত্যুপরবর্তী সময়ে ওমর সানী, রিয়াজ, শাকিব খান ও ফেরদৌসসহ অন্যদের সঙ্গে অভিনয় করেও সফল হন শাবনূর।

সালমান শাহপরবর্তী সময়ে শাবনূর-রিয়াজ জুটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এই জুটি প্রায় অর্ধশত চলচ্চিত্রে একসঙ্গে অভিনয় করেন। শাবনূর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— কিছু আশা কিছু ভালোবাসা, চার সতীনের ঘর, বলবো কথা বাসর ঘরে, স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা, স্বামী নিয়ে যুদ্ধ, প্রেমের তাজমহল, ভালবাসার দুষমন, দুই বধূ এক স্বামী, এক টাকার বউ, নিরন্তর, ব্যাচেলর, স্বপ্নের নায়ক, প্রেম পিয়াসী, আনন্দ অশ্রু, স্বপ্নের পৃথিবী, বিচার হবে, তোমাকে চাই, জীবন সংসার ও স্বপ্নের ঠিকানা।

২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিকের সঙ্গে শাবনূরের বিয়ে হয়। ‘বধূ তুমি কার’ নামের একটি চলচ্চিত্রে অনিক-শাবনূর একসঙ্গে অভিনয় করেন। তবে এই বিয়ের বিষয়টি বেশ কিছুদিন গোপন ছিল। ২০১৩ সালের শেষদিকে বিষয়টি আলোচনায় আসে।

গত পাঁচ বছর ঢাকার চেয়ে অস্ট্রেলিয়াতেই বেশী থেকেছেন শাবনূর। সেখানকার নাগরিকত্বও পেয়েছেন তিনি। শাবনূরের বোন সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। শাবনূর বর্তমানে স্বামী অনিকের সঙ্গে উত্তরায় বসবাস করছেন। তবে প্রতি বছরেই নির্দিষ্ট একটি সময় তাকে অস্ট্রেলিয়াতে থাকতে হয়।






মন্তব্য চালু নেই