মেইন ম্যেনু

১০০ বছরে নারীর রুপচর্চায় যখন যে সাজ জনপ্রিয় ছিল ( ভিডিও )

ফুল পৃথিবীর সব সৌন্দর্যবোধের উৎস হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। কোনো বস্তুর সৌন্দর্য দর্শনে মানুষের হৃদয়পটে যে আকর্ষণ সৃষ্টি হয়, তাকেই ভালোবাসা বলে। ফুলদর্শনে মানব মনে যে ভালোবাসার সঞ্চার হয়, তার পূর্ণত্ব ঘটে নারীর প্রেমে। স্থান-কাল-পাত্রের হিসাব করে প্রেমের উপযুক্ত মূল্যায়ন করতে পারলেই মানবতার সার্থক বিকাশে ফুলের মূল্যায়ন সহজ ও সুন্দর হবে। ফুল যেহেতু সর্বকালের এবং সর্বদেশের মানবীয় মূল্যায়ন, সেহেতু ফুলের শিক্ষা মানুষকে বিশ্বপ্রেমে ও বিশ্বকল্যাণে উদ্ধুদ্ধ করে। ফুলের সৌন্দর্য কাউকে অসুন্দর করতে পারে না। ফুলের সব উপাদানই মানবতার কল্যাণে। ফুলের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারলে, ফুলের প্রতি ভালোলাগা বা ভালোবাসা মানুষকে যে নারীর প্রেমে অনুপ্রেরণা দেবে, সেই পবিত্র প্রেম পরিশ্রুত উপায়ে মানবপ্রেম বরং স্রষ্টার প্রতি প্রেমের দিকে নিয়ে যাবে।

সৃষ্টির লীলাখেলায় নারী একটি দ্বিতীয় সুন্দর সৃষ্টি। ফুলের সৌন্দর্যের বর্ণনায় যেমনটি সাহিত্যের সৃষ্টি, ঠিক তেমনি নারীর সৌন্দর্যের মূল্যায়নেও যথেষ্ট গদ্য ও পদ্য সাহিত্য তৈরি হয়েছে। নারী ও ফুলের মধ্যে বস্তুগত এবং আধ্যাত্মিক উৎকর্ষতার যে প্রকৃতিগত যোগসূত্র রয়েছে, তাতে নারীকেও কল্পনায় ফুলের অন্যরূপা বলে ধরে নিয়ে সৃষ্টিকে বরং স্রষ্টাকে উপলব্ধি করা সম্ভব হবে। নারী যেহেতু ফুলের মতো সুন্দর, সেহেতু ফুলের সৌন্দর্য যে ভাবাবেগ সৃষ্টি করে, তারই প্রতিফলন ঘটে নারীর সৌন্দর্যে। আর মানুষ নারীকে ভালোবাসে এবং ওই ভালোলাগা পুরুষকে নিয়ে যায় তার প্রেমে, যা মূলত সাহিত্যের কুঁড়ি। সাহিত্য যদি ফুল হয়, কুঁড়ি তাহলে প্রেম। কুঁড়ি প্রস্ফুটনের সঙ্গে সাহিত্যের রস উৎপন্ন হয়, তেমনি নারীর যৌবন প্রস্ফুটনের ফলে প্রীতি রসের সৃষ্টি হয়। আর সাহিত্যের পূর্ণতা ঘটে সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যার মাধ্যমে। ফুল ও নারীর সৌন্দর্য বিকাশে সাহিত্যের উৎপত্তি। তাই তো বিশ্ববরেণ্য কবি-সাহিত্যিকরা তাদের কবিতা ও সাহিত্যে এঁকেছেন নারী ও ফুল একই বস্তুর ভিন্ন ভিন্ন রূপ।

নারীর প্রেম চূড়ান্তরূপ নেয় পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায়, তেমনি করে ফুলের সৌন্দর্যবোধ রূপ নেয় এর সুগন্ধি ভোগের বাসনায়। ফুলের সৌম্য, সি্নগ্ধ, কোমল ও কমনীয় বৈশিষ্ট্য যেমন ফুলের সৌন্দর্যের বাহন, ঠিক তেমনি একজন যৌবনা নারীও ফুলের ওইসব বাহ্যিক গুণে গুণান্বিত। তাই যেমনটি করে মানুষ ফুলকে পেতে চায়, তেমনি যুবতী-নারীকেও একান্তভাবে পেতে চায়। ফুলের সৌন্দর্য সাহিত্য সৃষ্টির প্রেরণা, আর নারীর প্রেম সাহিত্যের বাস্তবায়ন। গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর উক্তি হচ্ছে_ ‘প্রেমের পরশে প্রত্যেকেই কবি হয়ে উঠে।’ করিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নারী ও ফুলের সাদৃশ্য উল্লেখ করে অসংখ্য কবিতা-গল্প লিখেছেন, যা শ্লীল ছিল। কিন্তু অধুনা কিছু গবেষক তাদের গবেষণায় এর মাঝে ব্যাপকভাবে যৌনতা ছড়িয়েছেন। প্রেমের কর্মই হচ্ছে সৃষ্টি। প্রেমের কারণেই আল্লাহ মানব সৃষ্টি করেছেন, প্রেমের কারণেই মানুষ সাহিত্য সৃষ্টি করেছে, আর ওই প্রেমের ফলেই রমণীর মাধ্যমে প্রকৃতি শিশু সৃষ্টি করে মানবতার ক্রমবিকাশ ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছে। নারীদেহের সৌন্দর্যের আকর্ষণে নারীকে একান্তভাবে পাওয়ার আল্লাহ প্রদত্ত একমাত্র বিধান হচ্ছে পারস্পরিক ‘বিবাহ’। নারী-পুরুষ যত পুরনো, বিবাহ ব্যবস্থাটিও তত পুরনো একটি মানবিক ব্যবস্থা।

নারীরাও তাদের নিজেদের সৌন্দর্যকে পুরুষের সামনে মেলে ধরতে নিজেকে আকর্ষনীয় রাখতে সদা তৎপর। তাইত বিশ্বব্যাপী সৌন্দর্যপিপাসু নারীদের জন্য হাজারো রুপ কৈশল, সৌন্দর্য উপকরন। আমাদের দেশের নারীরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। ভিডিওতে দেখুন গত ১০০ বছরে নারীর রুপচর্চায় কোন সময় কি সাজ জনপ্রিয় ছিল।

beauty






মন্তব্য চালু নেই