মেইন ম্যেনু

যমজ মানতে নারাজ

আমরা সবাই যমজ বলতে ভাবি একই রকম দেখতে দুজন, ঠিক যেন কপি-পেস্ট করা।

ছবিতে আপনারা যাদেরকে দেখতে পাচ্ছ তাদের মধ্যে স্বর্ণকেশী মেয়েটি হল লুসি এইলমার আর কালো কোঁকড়াকেশী মেয়েটি হল লুসির যমজ বোন, মারিয়া এইলমার। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? সেটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু ডোনা-ভিন্স দম্পতির ক্ষেত্রে সেটাই ঘটেছে। তাদের এই যমজ দুই সন্তান, লুসি আর মারিয়া দেখতে একেবারেই ভিন্ন। লুসির চামড়া সাদা, চুল সোনালী, চোখ উজ্জ্বল! আর মারিয়ার গায়ের শ্যামলা, ঘন কালো কোঁকড়া চুল।

মারিয়া আর লুসি যে যমজ তা ভাবা তো দূরের কথা তারা যে সহোদরা তাও কেউ বিশ্বাস করে না। তারা একই রকম পোশাক পরতো, একই ক্লাসে পড়তো, তবুও কেউ তাদের যমজ মানতে নারাজ।

লুসি আর মারিয়াকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে তাদের বন্ধুদের বোঝাতে যে তারা যমজ। লুসি-মারিয়া নিজেদেরকে যমজ প্রমাণ করার জন্য বার্থ সার্টিফিকেটও দেখাতে হয়েছে তাদের বন্ধুদেরকে, তারপরেই সবাই তাদেরকে বিশ্বাস করেছে।

লুসি-মারিয়া দেখতে ভিন্ন হওয়ার পিছনের কারণ হল, তাদের মা ডোনা হল কালো ত্বকের জ্যামাইকান নারী এবং তাদের বাবা ভিন্স ফর্সা ত্বকের অধিকারী ব্রিটিশ নাগরিক।

লুসি-মারিয়া ১৯৯৭ সালের জানুয়ারি মাসে জন্ম নেয়। এখন তাদের বয়স আঠারো বছর। তারা দেখতে যেমন আলাদা, তেমন তাদের পছন্দও আলাদা।

যুক্তরাজ্যের অনলাইন পোর্টাল মিররে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিজ্ঞান বলে এমন ঘটনা ‘এক লাখে একটা’ ঘটার সুযোগ থাকে।

মারিয়া এখন চেলটেনহ্যাম কলেজে আইনে পড়ছে আর লুসি শিল্প এবং নকশা বিষয়ে পড়াশোনা করছে গলস্টার কলেজে।






মন্তব্য চালু নেই